শনিবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬

আইসিসি মানে কি ইন্ডিয়া ক্রিকেট কাউন্সিল নাকি অন্যকিছু?

 

আইসিসি মানে কি বাংলায় অনেক ভাবেই তা উপস্থাপন করা যায় যেমন আন্তর্জাতিক আদালত বুজানো হয় কিন্তু আইসিসি বেশি পরিচিত হয় ক্রিকেটে যারা এই খেলাটি নিয়ন্ত্রণ করে সেই সংস্থা কেও বুজাই যেমন ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল আইসিসি বলে। 

কিন্তু বর্তমানে এই আইসিসি যে অবস্থা তা মনে হচ্চে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল না বলে ইন্ডিয়া ক্রিকেট কাউন্সিল বললেও ভুল হবে না কেননা তাদের প্রভাব এতটাই বেশি যে তাদের কথা বাইরে গিয়ে আসলে ক্রিকেট খেলা বড় দায় যেমন ধরেন পাকিস্তান সাথে তাদের বৈরুতা অন্য তম প্রধান কারন। 

কিন্তু সম্প্রতি বাংলাদেশের জাতীয় দলের ক্রিকেটার মুস্তাফিজুর রহমান আইপিএল ভালো দামে দল পেলেও রাজনৈতিক ইস্যু কারনে তাকে দল থেকে বাদ দিতে বলে দেই বিসিসিআই এরপর বাধে বিপত্তি বাংলাদেশের নিজেদের খেলোয়াড়দের সুরুক্ষা জন্য আসন্ন টি-টুয়ান্টি বিশ্বকাপ ভারতের খেলতে আপত্তি জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড বিসিবি। বাধবেই না কেন যেখানে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন সেখানে বাধবেই। 

শুরু হয়ে যায় বাংলাদেশের খেলা জাতে শ্রীলঙ্কা হয় কারন আসন্ন টি-টুয়ান্টি বিশ্বকাপ এবার আয়োজন রয়েছে দুটি দেশ একটি ভারত আরেকটি শ্রীলঙ্কা এই দুই দেশ মিলে এবার টি-টুয়ান্টি বিশ্বকাপ আয়োজন করতে যাচ্ছে। পাকিস্তান তো শুরুতেই আপত্তি তুলেছে তাই তাদের খেলা গুলো শ্রীলঙ্কা হবে। এবার বাংলাদেশ খেলাও চাচ্ছে শ্রীলঙ্কা জাতে হোক। কিন্তু এতে বাধা দিচ্ছে ভারত দিবেই না কেন তাদের তো লাভ লস হিসাব ও আছে। কিন্তু কথা হচ্ছে যেখানে একজন কেই নিরাপত্তা দিতে পারবেনা বলেই মুস্তাফিজুর রহমান কে বাদ দিয়েছে আইপিএল থেকে সেখনে পুরো দল কে কিভাবে নিরাপত্তা দিবে তা নিয়ে আইসিসির সাথে আলোচনা বসতে জাচ্ছে বিসিবি ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ সালে ঢাকায় আসা কথা রয়েছে আইসিসির প্রতিনিধি দল। কিন্তু বাংলাদেশ শুরু থেকেই ভারতে খেলা আপত্তি জানিয়ে রেখেছে। আশা করি সেই আপত্তি ঢাকায় যে প্রতিনিধি আসতেসে সেটা বজাই থাকবে ক্রিকেট বোর্ড কাস৷ থেকে। 

তবে ভারতের প্রভাব যে সব জায়গায় আসে সেটার ব্যাতিক্রম কি করতে পারবে বিসিবি সেটাই দেখার বিষয়। তবে এইটুকু আমরা সবাই বুজি আইসিসি মানে দুইটা মেইন করে একটা ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল অপর দিকে ইন্ডিয়া ক্রিকেট কাউন্সিল কেননা আজকাল ভারতের প্রভাব বেশি দেখা যায় আর এটার চেয়ারম্যান হচ্ছে জয়শাহ তিনি আবার কট্রর ইন্দুত্ববাদী মুসলিম বিদ্বেষী বলতে জাকে বুজাই। সেটাই। দেখা জাক

বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬

কোয়াব যখন খোয়াব দেখে তখন বিসিবি কি করবে?

 

কোয়াব বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলোয়াড় দের দেখবাল দেখার জন্য একটি সংস্থা। কিন্তু কোগাব যখন খোয়াব দেখে তখন বিষয় টা আর কোয়াবে থাকেনা।খোয়াব এর অর্থ হচ্ছে স্বপ্ন বর্তমানে কোয়াব তাই করছে সব কিছু যেন একটা স্বপ্নের মতন। একজন বাংলাদেশের তারকা খেলোয়াড় বাদ পরলো আইপিএল থেকে তখন কোন প্রতিকার বা রিয়েক্ট নাই কিন্তু জখনি তাদের বিরুদ্ধে কিছু বললেই তখননি সোচ্চার হয়ে উঠে অথচ এই কোয়াব নিয়ন্ত্রণ করে বর্তমানে খেলা ক্রিকেটার রাই কিন্তু খেলোয়াড় প্রতি মনোযোগ না দিয়ে তারা করে শুধু তেল বাজি সম্প্রতি সময়ে এক পরিচালক ব্যাক্তিগত উদ্যোগে কিছু সমালোচনা করেছেন জাতীয় দল নিয়ে এটা ঠিক যে এমন টা করা উচিত হয়নাই কিন্তু তারপরেও করেছে এটা নিয়ে কথা হবেই স্বাভাবিক কিন্তু তাই বলে মাঠ থেকে উঠে শুধু মাত্র সমালোচনা নিয়ে কথা বললে বিষয় টা একদম বেমানান তাই করেই চলেছে বর্তমান কোয়াব সদস্য বা সভাপতি সাধারণ সম্পাদক রা। 

এইগুলো থেকে বের হতে হবে তেলবাজি বা কারো ইন্ধনে পরে কোয়ান যেন বার বার খোয়াব না দেখে বিষয়টি বিসিবি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তাদের নজরদারি করা জরুরি তবে এটাও তদারকি করা উচিত বোর্ড পরিচালক রা জাতে সুন্দর মনোভাব নিয়ে সমালোচনা করে সরাসরি আক্রমণ না করে ক্রিকেটারদের।

বুধবার, ৭ জানুয়ারি, ২০২৬

ছিলেন মাশরাফি বিকল্প তিনি নিলেন অবসর

 

যারা বাংলাদেশের খেলা ২০১০ সাল খেলা দেখেছেন কিংবা ২০০৯ সালের খেলা দেখেছেন তারাই হয়তো সফিউল ইসলাম নাম টা খুব ভাল করে জানতে পারবেন। কেনই বা নয় ২০১১ সালের বিশ্বকাপের কথা মনে আসেকি ঘরের মাঠে সেবার নবম উইকেট মাহমুদুল্লাহ সাথে জুটি করে ঐতিহাসিক জয় তুলে নিতে সাহায্য করেছিলেন। শুধু তাইনা ইংল্যান্ড বিপক্ষে খেলে পাচটি জয়ে ভিতর তিনটায় খেলেছেন তিনি তার ভিতর তিনটায় অবদান তার রয়েছে এছাড়া ৬০ ওয়ানডে ২০ টি টি-টুয়ান্টি ১০ টি টেস্ট খেলেছেন তিনি সর্বমোট ১০৭ উইকেট নিয়েছেন তিনি। হয়তো তেমন আহমরি পারফরম্যান্স না কিন্তু তার এমন কিছু অবদান রয়েছে যা বাংলাদেশের ক্রিকেটের স্মনীয় হয়ে থাকবে তার সর্বশেষ ম্যাচ খেলেছিলো ২০২০ সালে।ভাবাহত মাশরাফি বিকল্প কিন্তু মাশরাফির মতন আলো চড়াতে পারেনি তবে মাশরাফির মতন ছিলো ইঞ্জুরি তাইতো ক্যারিয়ার ইতি টানলেন তিনি৷ সর্বশেষ প্রিমিয়ার লিগ খেলেছেন তিনি। এরপর কয়েকদিন আগে ফেইসবুক পোস্টে অবসর ঘোষণা দেন।



শনিবার, ৩ জানুয়ারি, ২০২৬

একজন মুসলিম: ভারতীয় আগ্রাসনে বৈষম্য স্বিকার

 

আচ্চা মুস্তাফিজ অপরাদ টা কি তার সাম্প্রতিক ফর্ম নাকি রাজনৈতিক কোন চক্রান্ত অথবা একজন মুসলিম তাই বলে আইপিএল থেকে সরিয়ে নিয়েছে। আমার মতে তিনি একজন মুসলিম সেই জন্য তাকে সরিয়ে দিয়েছে আইপিএল থেকে তার চেয়ে বড় কথা গেল বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালে ৪৩ ম্যাচে ৫৯ উইকেট নিয়েছেন যার ইকোনোমি ছিলো ৬.৭৩ এভারেজ ১৮ দশমিক শুন্য তিন এই রকম ফর্ম জদি কোন বোলার যেকোন টুর্নামেন্ট সেরা হতে সময় নিবে না ধরেন আই এল টি-টুয়ান্টি কথা সেখানে মুস্তাফিজুর রহমান কেমন ছিলেন তা বলার অপেক্ষা রাখেনা। জদি রাজনৈতিক কারনে মুস্তাফিজ বাদ দেয়া হয় আইপিএল তাইলে বলবো এটা শুধু বাহানা তার পারফোরম্যান্স কে তারা ভয় পেয়েছে এছাড়া ক্রিকেট খেলায় রাজনৈতিক আনায় ভুল ভারত কে বলেন ফুটবল দাদা গিরি দেখাতে সেটা করতে পারবেনা কারন এটা ফিফা আইসিসির কোন ইভেন্ট না যে ভারত তাদের দাদা গিরি দেখাবে আইসিসি ভারত নির্ভর তাই ক্রিকেট লিগে নিজেদের দাদা গিরি করতে পারে। মুস্তাফিজুর রহমান কখনো ভারত বিরোধী কিছু বলেনি কাওকে নিয়ে কটাক্ষ করে নি তারপরেও তার সাথে এমন কার স্বার্থ জন্য সাবেক ফ্যাসিস্ট হাসিনা কে পরম যত্নে রাখতে পারবে আর মুস্তাফিজুর রহমান কে নিষিদ্ধ করবে এটা হচ্ছে একটাই কারন তা হলো সে মুসলিম আর বাঙালি এতদিন শুনে এসেছি পাকিস্তানি রা বাঙালি দেখতে পারতো আর এখন দেখছি ভারত দেখতে পারেনা জাক ১৯৭১ সাল জন্মায় নাই তবে ২০২৪ সালের পর বুজতে পারতেসি কারা বাঙালি দেখতে পারতো না কাদের কারনে বৈষম্য স্বিকার হত বাঙালি কার উপর দোষ পরতো সব ক্রিড়া ক্ষেত্রেও রাজনীতি।



শুক্রবার, ২ জানুয়ারি, ২০২৬

ছেলেটিকে চিনেছেন একজন গর্বিত মুসলিম:অস্ট্রেলিয়া জাতীয় দলের খেলা ক্রিকেটার


 সালটা ছিলো ২০১০ বা ১১ তার আগের কথা একটু বলি অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট খেলা যখন দেখি তখন টেস্ট ওপেন করতো ম্যাথু হেইডেন আর আ্যডাম গিলক্রিস্ট ২০০৯ সাল পর গিলক্রিস্ট আর হেইডেন অবসর নিলে তখন অনিয়মিত খেলা অভিজ্ঞ সাইমন ক্যাচিস আর এডি কাওয়ান বা ক্রিস রজার্স কে চালিয়ে নিত অস্ট্রেলিয়া টেস্ট ওপেনে কিন্তু কেউই ঠিক ঠাক মত দিতে পারছিলো না তাদের জায়গা থেকে সময় টা ২০১০ বা ১১ সাল অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট দলে পরিবর্তন আনে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া কারন তারা সে সময় খুব বাজে সময় কাটাচ্ছিলো কেন না তাদের স্বর্নালি যুগের সময় শেষ করে তাই কিছু তরুন ব্যাটার জাতীয় দলে সুযোগ পায় তাদের মধ্যে একজন পাকিস্তান বংশদ্ভূত উসমান খাজা প্রথম প্রথম সুজোগ পেলেও ঠিক ঠাক দিতে পারছিলেন না ওপেন এ ফলাফল জাতীয় দল থেকে বাদ জান সাল টা ২০১৫ আবারো জাতীয় দলে সুজোগ পান এরপর জা করে দেখিয়েছেন তা ছিলো কেবল রুপ কথায় কেন না এমন কিছু উপহার দিয়েছেন ডেভিড ওয়ার্নার কে সাথে নিয়ে তা কেবল অস্ট্রেলিয়া দল মনে রাখবে ক্যারিয়ার ৮৭ টেস্ট খেলে ৬ হাজার উপর রান করেছেন সেই সাথে ওয়ানডে ও টেস্ট টি-টুয়ান্টি মিলিয়ে ১৩৬ ম্যাচ খেলে করেছেন ৮ হাজার উপর রান। শুধু পাকিস্তান নয় পাকিস্তান বাইরেও যে পাকিস্তানি রা খেলতে পারে ভালো তা তিনি দেখিয়ে দিয়েছেন। ব্যাক্তিগত জীবনে দুই সন্তান জননী তিনি চলতি আ্যশেজ শেষ টেস্ট হতে যাচ্ছে তার শেষ ম্যাচ ১৫ বছরের একটি সমাপ্তি হতে চলেছে তার জীবনে শুভ বিদায় উসমান খাজা

মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫

খালেদা জিয়া কথাঃ ক্রিড়াঙনে ভরসা

 

গনতন্ত্রের আপোষহীন নেত্রী বেগম জিয়া মানে খালেদা জিয়া তাকে চিনে একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে কেনবা নয় গনতন্ত্রের জন্য সারাজীবন লড়াই করেছেন তার শেষ কয়েকটি বছর প্রথমে কারাগার তারপর বাসায় এক প্রকার কারাগার মতন জীবন কাটিয়েছেন। তিনি যেমন গনতন্ত্রের জন্য লড়েছেন ঠিক ক্রিড়া ক্ষেত্রেও তিনি অনেক সুনাম অর্জন করেছেন। ২০০৩ সালে সাফ চ্যাম্পিয়ন সেবার হয়েছিল বাংলাদেশ ফুটবল দল সে দলের অধিনায়ক ছিলেন বর্তমানে বিএনপি কমিটিতে থাকা আমিনুল ইসলাম বুলবুল এবং দলের সব খেলোয়াড় স্টাফ কে ফ্লাট উপহার দিয়েছেন তিনি এছাড়া ২০০৪ সালে অনুর্ধ ১৯ বিশ্বকাপ উদ্ধোধন অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিয়েছেন এছাড়া ক্রিড়া ক্ষেত্রে উন্নয়ন করতে তার অবদান অনেক ছিলো তাছাড়া বাংলাদেশ ক্রিড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিকেএসপি মিরপুর শেরেইবাংলা স্টোডিয়াম ও বিভাগীয় স্টোডিয়াম উন্নয়ন করতে তার সরকার আমলে সাহাজ্য করেছেন। এছাড়া ফুটবল উন্নয়ন তার অবদান বেশ ছিলো প্রেসিডেন্ট গোল্ড কাপ সহ অনেক আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট আয়োজন বেশ সক্রিয় ভুমিকা রেখেছে। এছাড়া গ্রামীণ খেলাধুলা ও মহিলা ক্রিড়া কমপ্লেক্স উন্নয়ন ছিলো। তিনি আজ ভোড় ৬ টায় প্রয়ান ঘটেছে এই ময়সী রানি।



ফিনিশার কিংবা ডিপেন্ডেবল একজন মুশফিকুর রহিম

 

ক্রিকেট এ ফিনিশিং রোল টা কি। এই রোলে কারা খেলে জানেন জারা প্রেসার এবং মানসিক ভাবে চাপ নিতে পারে তারাই মুলত ফিনিশিং রোলে খেলে এবং এইটাকেই ক্রিকেট ভাষায় ফিনিশিং বলে। ওপেনে নেমে যখন ওপেনার রা ভালো একটি শুরু এনে নেই এরপর মিডল অর্ডার নেমে সেই দারুন টাকে আরো দারুন করে তোলে তারাই হচ্ছে ফিনিশার। এখন কথা হচ্ছে বাংলাদেশের ক্রিকেটের এমন ফিনিশার আছে কি বা আদৌ ছিলো উত্তর বলবো হ্যা ছিলো কিন্তু এখনো তার বিকল্প আসে নি বা তৈরি করতে পারেনি। তিনি হচ্ছে মিঃ ডিপেন্ডেবল বা ফিনিশার মুশফিকুর রহিম। ওয়ানডে এবং টি-টুয়ান্টি থেকে অবসর গেলেও বর্তমানে টেস্ট খেলছেন পাশাপাশি ঘরোয়া সব লিগ গুলো এখনো নিয়মিত খেলেছেন। বর্তমানে বিপিএল রাজশাহী ওয়ারিয়র্স হয়ে খেলছেন তিনি বিপিএল প্রথম ম্যাচে শান্ত সাথে জুটি গড়ে হাফ সেঞ্চুরি করেছিলেন এবং শান্ত কে করিয়েছেন সেঞ্চুরি আর আজ নোয়াখালী বিপক্ষে দ্রুত উইকেট পরার পর ক্রিজে এসে ইয়াসির আলি সাথে জুটি গড়ে এবং অপরাজিত থেকে দল কে জিতিয়ে আনেন তিনি। এইরকম প্রেসার নিয়ে খেলা সৌভাগ্য সবার হয়না কিন্তু মিডল অর্ডার নেমে ফিনিশিং করা সবাই পারে না। তার জন্য তো এখনো মুশফিকের বিকল্প খুজে পাইনি আজো। কখনো তাওহীদ রিদয় বা লিটন দাশ কেও দেখেসি খেলাইতে ফিনিশিং কে কিন্তু তারা মুশফিক হয়ে উঠতে পারিনি আজো।নিদাহাসে ট্রফিতে টি-টুয়ান্টি শ্রীলঙ্কা বিপক্ষে আজো সেই ইনিংস টা মনে পরে মুশফিকের সাথে ছিলো মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। টি-টুয়ান্টি তেমন আহমরি রান নেই মুশফিকের কিন্তু তার মানসিক এবং প্রেসার নিয়ে খেলাটা হয়তো সবার চোখে লেগেছে আজো।

আইসিসি মানে কি ইন্ডিয়া ক্রিকেট কাউন্সিল নাকি অন্যকিছু?

  আইসিসি মানে কি বাংলায় অনেক ভাবেই তা উপস্থাপন করা যায় যেমন আন্তর্জাতিক আদালত বুজানো হয় কিন্তু আইসিসি বেশি পরিচিত হয় ক্রিকেটে যারা এই খেলাটি...