নেইমার জুনিয়র: ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে বেদনা ময় হারের কথা জানিয়ে দিয়েছেন এক সাক্ষাতকারে।
অতিরিক্ত সময়ের বিরতিতে আমি তাদেরকে বলেছিলাম পেছনে থাকো!' আমি আরো যে বলেছিলাম, ‘ম্যাচ শেষ! আমরা গোল করেছি এখন শুধু বাজে ট্যাকল করো আর বলটা চাঁদে পাঠিয়ে দেওয়ার ব্যাবস্থা করো।আমি যে সেরা বিশ্বকাপ দলটিতে খেলতেছি? ২০২২তে যে বিদায়টা আমাকে সবচেয়ে বেশি হতাশ করেছিল? সেটাও ২০২২।পেছনের বিশ্বকাপগুলো নিয়ে এক ধরনের হতাশা ও দুঃখের অনুভূতি কাজ করে এখনো। কারণ যখন আপনি ভাবেন যে আপনি জিতবেন, কিন্তু জিততে পারেন না… এটা খুবই খারাপ বা হতাশ লাগে। ২০২২ সালের এই বিশ্বকাপ, আমি যা ভেবেছিলাম আমরা জিতব। এই দলটি নিয়ে আমি সবচেয়ে আত্মবিশ্বাসী এবং সবচেয়ে উদ্দীপ্ত ছিলাম। যেভাবে আমরা খেলছিলাম, আমি আরো ভেবেছিলাম, ‘আমরা শুধু তখনই হারবো যদি আমরা বড় কোনো ভুল করি... এবং আমরা সেই ভুল করেছিলাম।
এই
দিকে পরবর্তী বিশ্বকাপ নিয়ে নিজের প্রত্যাশা প্রসঙ্গে নেইমার বলেন: প্রত্যাশা ও আখাঙ্কা অনেক বড়। তবে বলে রাখি প্রথমে অবশ্যই আমি পুরোপুরি ১০০% ফিট হতে চাই। আমি ভালো একটা সিজন চাই কাটাতে। ধরেন ২০২৫ সিজনটা ভালোভাবে শেষ করতে চাই। ২০২৬ বিশ্বকাপ পর্যন্ত ভালো সিজন কাটাতে চাই এবং তারপর বিশ্বকাপের জন্যে আমি সর্বোচ্চ দিয়ে উজাড় করে দিব। তবে এটা হবে আমার শেষ বিশ্বকাপ। এটা আমার শেষ সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে, তাই আমাকে খেলতেই হবে।
ব্রাজিল বিশ্বকাপ জেতার জন্য যথেষ্ট শক্তিশালী দল কি না সেই প্রশ্নে নেইমার বলেছেন : উত্তরে নেইমার বলেন,আমি মনে করি ব্রাজিলের অনেক ভালো খেলোয়াড় আছে যারা চ্যাম্পিয়ন হতে পারে। তবে আমাদের আগে নিজেদের সংগঠিত করতে হবে। যেমন ধরেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র এই দিনে বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়দের একজন। রদ্রিগোও তেমন। আমাদের সেন্টারব্যাকরা অসাধারন ভালো করেছে। তারা বড় বড় ক্লাবের খেলোয়াড় হিসেবে খেলছে, যেমন গ্যাব্রিয়েল, মারকুইনহোস, মিলিটাও। আমাদের গোলকিপাররা বিশ্বমানের ও ভালো করছে। আমাদের মিডফিল্ডেও সৃজনশীল ও মেধাবী খেলোয়াড়রা আছে। যদি এগুলো সব বিষয় ফর্মুলা আকারে একত্রিত করে, সঠিকভাবে সংগঠিত করে, এবং প্রতিটি খেলোয়াড়ের মাথায় ঢুকিয়ে দিতে পারে, সবাই তাদের ভূমিকা পালন করবে এবং আর কিছু নয়, আমি মনে করি এটাতেই সব চেয়ে কাজে কাজ হয়ে যাবে। সেলেসাও খেলোয়াড়দের সঙ্গে নিজের সম্পর্ক নিয়ে প্রসঙ্গে নেইমার বলেছেন : ভালো তারা সবসময় আমাকে মেসেজ পাঠায় ও নিয়মিত যোগাযোগ রাখে। তারা আমার সঙ্গে অনেক কথা বলে। তারা আমার প্রতি অনেক সম্মান প্রদর্শন করে, তাই সম্পর্কটা খুব ভালো। এই জন্যই আমি তাদের জন্য সবসময় শুভকামনা করি। যখন আমরা কোনো খারাপ ম্যাচ হয় হারি বা ড্র করি, তখন আমি রেগে যাই, তাদের ফোন করি, মেসেজ পাঠাই, ‘কি হয়েছে? এটা করা দরকার, সেটা করা দরকার বা কেনো এই ভুলটা করেছো।’ কারণ আমি দলের সঙ্গে থাকি বা না থাকি, আমি তাদের জন্য সবসময় ভালোটাই চাই ও সব সময় সে বিষয়গুলি নিয়ে কাজ করতে বলি। আমি আরো চাই তারা আরো উন্নতি করুক এবং আরও ভালো খেলোয়াড় হয়ে উঠুক। সেই কামনা করি