খেলাধুলা ক্রিকেট লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
খেলাধুলা ক্রিকেট লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বৃহস্পতিবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৫

বিশ্বের এক নম্বর ধনী ক্রিকেট বোর্ড:তারপরেও বারবার স্পন্সর হারায় কেন বলেন তো?

 
ইন্ডিয়া ক্রিকেট টিমে কোনটা অভাব রয়েছে বলেন তো?  
তাদের অর্থনৈতিক অবস্থা ক্রিকেটার দের অবস্থা কিংবা কোচ বা টিম ম্যানেজমেন্ট ব্যাবস্থা এবং না না রকম ফ্যাসিলিটি কিসের অভাব আছে।বিশ্বের এক নম্বর ধনী ক্রিকেট বোর্ড বা লিজেন্ড তৈরি কারখানা কি নেই এরপরেও অভাব পরে বার বার। হ্যা শুনতে খারাপ লাগলেও এটাই সত্যি তারা সব সময় স্পন্সর অভাবে পড়ে।

আসন্ন এশিয়া কাপ ২০২৫ টুর্নামেন্ট নাকি স্পন্সর ছাড়াই নাকি খেলতে হবে।এক তো পাকিস্তান সাথে এক রকম অসস্থী অন্য দিকে কোন স্পন্সর নাই দুই দিক দিয়ে একটু চাপেই থাকবে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। কারন তো হচ্ছে বিশ্বের এক নম্বর ধনী ক্রিকেট বোর্ড বলে কথা। 

এখন পর্যন্ত কোন কোন স্পন্সর ছেড়ে গিয়েছে বা কোন কারনে ছেড়ে গিয়েছে তাহল;

সাহারা ইন্ডিয়া পরিবার ২০০১ সাল থেকে ২০১৩ সাল পর্জন্ত ছিল তারা এরপর দিউলিয়া জনীত কারনে স্পন্সর বাতিল হয়ে যায়।

এরপর আসে স্টার ইন্ডিয়া অধিকার হারায়,তারপর আসে চায়না মোবাইল ব্রান্ড ওপপো চীনের সাথে জামেলা কারনে বয়কট করে দেই তারপর স্পন্সর হারায় ভারতীয় ক্রিকেট দল। এরপর আসে বায়জুস লোকশান আর ব্যাংকের ঋন জনীত কারনে স্পনসর হারায়।আর সব শেষ ড্রিমি ১১ অনলাইন জুয়া প্রচারণা জন্য ভারতীয় ক্রিকেট দলের স্পন্সর হারায়।

তবে প্রশ্ন? টা থেকে যাচ্ছে এত বড় ধনী ক্রিকেট বোর্ড কেন বার বার স্পন্সর সমস্যা পড়ে?

বুধবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৫

ক্রিকেটের মাফিয়া ডন!শুভ জন্মদিন স্যার ডন ব্যাডম্যান।

 
স্যার ডন ব্যাডম্যান যার নাম শুনলেই মনে হয় কোন জগতের মাফিয়া ডন। হ্যা ঠিক এই বলেছি তিনি একটি জগতের মাফিয়া ডন আর সেটা হল টেস্ট ক্রিকেটের ব্যাটাদের ডন তিনি। কেনবা হবে না যার টেস্ট গড় ৯৯.৯৪ এমন গড় তো দূরে কথা ইতিহাসে এমন কোন ব্যাটার নেই যে ৭০ বেশি গড় নিয়ে টেস্ট ক্যারিয়ার শেষ করেছে। অনেক লিজেন্ড এসেছে আবার বিদায়ও নিয়েছে কিন্তু ডন ব্যাডম্যান এর রেকর্ড অবদি কেও স্পর্শ করতে পারিনি আজো। সচিন টেন্ডুল কার স্যার ভিভ রিচার্ড, রিকি পন্টিং হালের বর্তমানে ভিরাট কোহলি জো রুট রাও রাকে স্পর্শ করতে পারিনি কারন তিনি আজো সবার মনে ডন হিসেবে রয়ে গেছে অনেক ক্রিকেট ব্যাটার দের আইডল ও তিনি দ্যা মাফিয়া স্যার ডন ব্যাডমান। 

স্যার ডন ব্যাডম্যান জন্ম ১৯০৮ সালে নিউ সাউথ ওয়েলস শহর কুটামন্ড্রা জন্ম গ্রহন করেছেন।তার পুরো নাম ডোনাল্ড জর্জ ব্যাডম্যান। ফাস্ট ক্লাস ক্রিকেট অভিষেক ঘটে ১৯২৭ সালে নিউ সাউথ ওয়েলস হয়ে।

আর অস্ট্রেলিয়া হয়ে শুরু করেন ১৯২৮ সাল থেকে ১৯৪৮ সাল ক্যারিয়ারে ৫২ টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন ৮০ ইনিংস ৯৯.৯৪ গড়ে রান করেছেন ৬,৯৯৯ রান যেখানে সেঞ্চুরি রয়েছে ২৯ টি আর ফিফটি রয়েছে মাত্র ১৩ টি ক্যারিয়ার লাস্ট ইনিংস যদি শুন্য রানে আউট না হতেন তাহলে ১০০ গড় নিয়ে শেষ করতে পারতেন তিনি।ইন্টারন্যাশনাল ক্যারিয়ার মত ফাস্ট ক্লাস ক্রিকেট ও সেরাদের সেরা ২৩৪ ম্যাচে ২৮,০৬৭ রান করেছে যেখানে ৩৩৮ ইনিংস এ ১১৭ সেঞ্চুরি পাশাপাশি ৬৯ ফিফটি করেছেন সেখানেও গড় ৯৪.১৪ এখনো কেও ভাঙতে পারিনি। 
আজ এই মহান ক্রিকেটার জন্মদিন যার আসে পাশে কেউ নেই তিনি একাই দ্যা মাফিয়া ডন ব্যাডম্যান,শুভ জন্মদিন। ২০০১ সালে ২৫ ফেব্রুয়ারী এই গ্রেট ক্রিকেটার মৃত্যু।

মঙ্গলবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৫

কীর্তি মানের মৃত্যু নাই! ওয়ানডে ক্রিকেট ইতিহাসে প্রথম উইকেট নেওয়া ক্রিকেটার মৃত্যু।

 

যেদিন থেকে ক্রিকেট বুঝি ঠিক সেদিন থেকেই ভালো ক্রিকেট খেলা দেখতে থাকি বিশেষ করে টেস্ট চেয়ে ওয়ানডে খেলা দেখতে পছন্দ করতাম। ১৯৭১ সালে ওয়ানডে ক্রিকেট যাত্রা শুরু হয়। আপানারা কি জানেন প্রথম উইকেট টা কে নিয়েছিল কেন শাটলওয়ার্থ যার অবদান ছাপিয়ে গিয়েছে ইংলান্ড ক্রিকেট ছেলে সুহুদুর নিউজিল্যান্ডে ও আরো অবদান রয়েছে ১৯৭০'৭১ও ৭২ সালের গিলেপ কাপের তার চোখ ধাধানো সব পারফোরম্যান্স স্বরুপ ৩ আস রেই চ্যাম্পিয়ন হয়ে ছিলেন। 

 দ্যা সান,দ্যা ইন্ডিপেন্ডেন্ট, উইকিপিডিয়া, টি স্পোর্টস তথ্য অনুযায়ী ।

শাটলওয়ার্থ জন্ম সেন্ট হেলেন্সে ল্যাঙ্কাশায়ারে ১৯৪৪ সালে ১৩ নভেম্বর জন্ম গ্রহন করেন ১৯৬৪ সালেই এই ল্যাঙ্কাশায়ারে হয়ে ফাস্ট ক্লাস ক্রিকেট জীবন শুরু করেন। ১৯৭১ সালে ইতিহাসের প্রথম ওয়ানডে ক্রিকেট ম্যাচে তিনি প্রথম উইকেট শিকার করেন মেলবর্ন ক্রিকেট স্টোডিয়ামে সেই ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এছাড়া অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ১৯৭০ সালে ব্রিসবেনে আ্যশেজ টেস্টে ক্যারিয়ার প্রথম ম্যাচেই নিয়েছিলেন ৫ উইকেট। খেলেছেন মাত্র ৫ টি টেস্ট উইকেট নিয়েছেন ১২ উইকেট। এছাড়া ল্যাঙ্কাশায়ারে হয়ে ১৭৭ টেস্ট ৪৮৪ উইকেট নেন জার গড় ছিলো ২২.১৭ ১৯৬৮ সালে ফাস্ট ক্লাস ক্রিকেট ক্যারিয়ার সেরা ৪১/৭ সেরা বোলিং করেন তিনি। শুধু তাই নয় আরো ৯৯ টি উইকেট শিকার করেন ল্যাঙ্কাশায়ারে হয়ে। গিলেট কাপ বাদেও আরো দুইটি ট্রফি জিতেন তিনি। ইঞ্জুরি কারনে ইন্টারন্যাশনাল ক্যারিবেশি দূর নিয়ে জেতে পারেন নি তিনি। 

ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়া পর ব্রিটিশ কোল এ মার্কেটিং কাজ করেছিলেন তিনি, এছাড়া সিভিল ইঞ্জিনিয়ার ব্যাবসাও যুক্ত হন। বেশ কিছুদিন ফাস্ট ক্লাস ক্রিকেট ও আম্পায়ার করেছিলেন।২০২১ সালে ল্যাঙ্কাশায়ারে হল অভ ফেইম জাইগা করে নেন। 

৮০ বছর বয়সে চিরবিদায় নিয়েছেন এই ল্যাঙ্কাশায়ারে কিংবদন্তি। ক্রিকেট যতদিন থাকবে ততদিন তাকে মনে করতে হবে কেননা ওয়ানডে ক্রিকেট এর প্রথম উইকেট টা তিনি নিয়েছিলেন। 

সোমবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৫

যাদের গড় কখনো ৩০ নিচে নামেনি

 

আপনারা কি জানেন বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেট ইতিহাসে দুই জন ব্যাটার রয়েছেন তাদের গড় কখনো ৩০ নিচে নামে নি। ২০০০ সালে টেস্ট স্টাটাস পাওয়া পর বাংলাদেশ ক্রিকেট অনেক উথান পতন হয়েছে আমিনুল ইসলাম বুলবুল প্রথম সেঞ্চুরি ২০০১ সালে আশরাফুলের সর্ব কনিষ্ট সেঞ্চুরি করা ইতিহাসে পাতায় আজো গেথে আছে। ২০০৪ সালে প্রথম টেস্টে জয় যেমন ইতিহাস হয়ে আছে ঠিক তেমন এই বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে দুইজন ব্যাটার রয়েছে তাদের গড় ৩০ নিচে নামেনি সেই দুইজন ব্যাটার হচ্ছে প্রথম টেস্টের জয়ের অধিনায়ক মি: ফিফটি খ্যাত সাবেক নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমুন ও সাবেক অধিনায়ক বর্তমানে টেস্টের ভরসা মমিনুল হক সৌরভ 
 বলতে পারেন আবুল হাসানের গড় ৮২.৫ বা তানজিম সাকিবের গড় ৪১। কিন্তু তারা তো পর্যাপ্ত পরিমাণ ম্যাচ খেলেনি৷ তাই অন্তত ১০ টেস্ট খেলেছে, যাদের মাঝেই যদি ধরি হাবিবুল এবং মুমিনুলের গড় ৩০ এর কমে যায়নি। দুইজনের মাঝে এক অদ্ভুত মিলও আছে৷ কি সে মিল? দেখা যাক।

 হাবিবুল বাশার:
নিজের প্রথম টেস্ট ইনিংসে করেছেন ৭১; যেটি ছিল বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের প্রথম টেস্ট; ঐতিহাসিক সেই টেস্টে ফিফটি করে টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম হাফ সেঞ্চুরিয়ন বনে যান হাবিবুল বাশার। গড় তো তখনই ৭১.০০ হয়ে গিয়েছে, সেই গড়কে আর ৩০ এর কমে নামতে দেননি হাবিবুল।মজার বিষয় কি জানেন? হাবিবুল বাশারের বর্তমান ক্যারিয়ার টেস্ট গড় ৩০.৮৭, আর এটাই হাবিবুলের টেস্ট ক্যারিয়ারের সর্বনিম্ন গড় (৩০.৮৭)।

 মুমিনুল হক:
মুমিনুলের টেস্ট ক্যারিয়ার শুরু ৫৫ রানের ইনিংস দিয়ে, অর্থাৎ প্রথম ইনিংস শেষে মুমিনুলের গড় ৫৫.০০। সেই গড়টা এক সময় ৬০ ও ছাড়িয়েছে। মাঝে তো ১০ টেস্ট খেলা ব্যাটারদের মাঝে ব্রাডম্যানের পর মুমিনুলের গড় সর্বোচ্চ ছিলো, ৬২ এর মত। ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে টানা ১১ টেস্টে ফিফটি পেয়েছিলেন মুমিনুল। সেই মানুষটা অফ ফর্মে গেলো, আর তার গড় কমতে কমতে এখন গড়টা ৩৬.৭২। হাবিবুলের সাথে মিল কোথায় জানেন? মুমিনুলের এই ৩৬.৭২ গড় তার ক্যারিয়ারের সর্বনিম্ন গড়।

যদিও মুমিনুলের ক্যারিয়ার শেষ হয়ে যায়নি। যাই এই গড়ের মানটা উঠানামা করবে। তবে আপাতত ২২ আগস্ট, ২০২৫ মোতাবেক হাবিবুল ও মুমিনুল, দুইজনই নিজেদের টেস্ট ক্যারিয়ারের সর্বনিম্ন গড়ের মালিক হয়েছেন নিজেদের শেষ টেস্টে৷

রবিবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৫

এশিয়া কাপে ২০২৫ বাংলাদেশ দলের ভিতর কার সর্বোচ্চ রআন? জেনে নিন রেকর্ডবুকের চমকপ্রদ তথ্য!

 

আসন্ন এশিয়া কাপের জন্য বাংলাদেশ স্কোয়াড ঘোষণা করেছে। এই স্কোয়াড এর সর্বোচ্চ রান কার আর সর্বনিম্ন রান কার চলুন বিশ্লেষন করি।

যদি টপ অর্ডার ব্যাটার হিসাব করি তাহলে সর্বোচ্চ রান হচ্চে লিটন দাশের ১০৭ ম্যাচে তার রান ২২৯২ আর অল্প কিছু রান করলেই সাকিব মাহমুদুল্লাহ কে টপকে সর্বোচ্চ রান সংগ্রহ তালিকায় সবার উপরে চলে আসবে লিটন দাশ টপ অর্ডারে ২ য় স্থানে রয়েছে তানজিদ হাসান তামিম ২৯ ম্যাচে রান সংগ্রহ করেছে ৬৫৫ রান এরপর রয়েছে পারভেজ হোসেন ইমন ১৭ ম্যাচে ৩৭৩ রান সংগ্রহ করেছে।আর সবার শেষে রয়েছে দুই বছর পর দলে ফেরা সাইফ হাসান ৫ ম্যাচে ৫২ রান করেছে।
এবার আশা জাক মিডল অর্ডার সবার উপরে রয়েছে তাওহীদ রিদয় ৪৩ ম্যাচে ৯০০ রান করেছে।তার পরের অবস্থান গুলোতে রয়েছে জাকের আলী অনিক ৩৩ ম্যাচে ৫৭১,নরুল হাসান সোহান ৪৫ ম্যাচে ৪৪৫ রান,শামীম হোসেন ৩৪ ম্যাচে ৪২৬ রান,শেখ মেহেদী হাসান ৬১ ম্যাচে ৪০১ রান সংগ্রহ করেছে।

লোয়ারঅর্ডার এবং বোলার দের রান সংগ্রহ তালিকায় সবার উপরে রয়েছে মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন তিনি করেছেন ৪১ ম্যাচে ২৪৭ রান তারপর পরের অবস্থান গুলোতে আছে তাসকিন আহমেদ ৭৬ ম্যাচে ২০০ রান, রিশাদ হোসেন ৪০ ম্যাচে ১৭০ রান, তানজিম হাসান সাকিব ২৮ ম্যাচে ১৩৯ রান,মুস্তাফিজুর রহমান ১১১ ম্যাচে ৮৭ রান,নাসুম আহমেদ ৩৬ ম্যাচে ৭৭ রান,শরিফুল ইসলাম ৫০ ম্যাচে ৬৬ রান সংগ্রহ করেছে।

সব চেয়ে বেশি ম্যাচ খেলে সর্বোচ্চ রান সংগ্রহ করেছে অধিনায়ক লিটন দাশ,তার পরের অবস্থান আছে তাওহীদ রিদয়,তারপর আছে ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। তবে সম্প্রতি সময়ে লিটন ফর্ম ভালো জাচ্ছেনা আমাদের আশা রাখতে হবে দুই ওপেনার ও মিডল অর্ডার তাওহীদ রিদয় জাকের আলি ও শামীম পাটোয়ারী উপর। এছাড়া বোলিং তাসকিন,মুস্তাফিজুর, সাকিব সাথে স্পিনার শেখ মেহেদি ও রিশাদ হোসেন উপর। তাহলে ভালো কিছু সম্বব বলে আশা রাখতে পারি।

শনিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৫

টাকার কাছে যখন জাতীয় দল হয়ে যায়বিক্রি হয়ে

 
একটা সময় ছিলো উইস্ট ইন্ডিজ এর যেখানে তারা ক্রিকেট কে রাজত্ব করতো। পাত্তা ছিলোনা কোন দেশের অস্ট্রেলিয়া,সাউথ আফ্রিকা, ইন্ডিয়া, পাকিস্তান কিংবা নিউজিল্যান্ডের মতন দল পাত্তা পেত না। ক্রিকেট বিশ্বকাপ যখন থেকে চালু হয়েছে ঠিক প্রথম আসরে চ্যাম্পিয়ন দল তারাই ছিলো শুধু একবার না দুইবার ওয়ানডে বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন দল তারা ১৯৭৫ ও১৯৭। ক্লাইভ লয়েড গর্ডন গিনিজ,ডেসমন্ড হেইস,ম্যালকম মার্শাল,আ্যন্ডি রবার্স,ভিভ রিচার্ড দের আবিষ্কার করেছিলেন এক ক্রিকেট উজ্জ্বল নক্ষত্র দ্বারা পরিচালিত হয়েছে উইস্ট ইন্ডিজ কে। তাদের দেখানো পথ ধরে এসেছে বায়ান লারা, ফিল সিমন্স,কার্টলি আ্যম্ব্রোস,কোর্টনি ওয়ালশ,ইয়ান বিশপ রা। কিন্তু সুদিন কি আর বেশিদিন থাকে এই টি-টুয়ান্টি যুগে। টি-টুয়ান্টি যুগে এসে উইস্ট ইন্ডিজ জেন তাদের চিরো চিনা রুপ হারিয়ে ফেলেছে। অনেক অনেক তারকা লিজেন্ড বের হয়েছে কিন্তু জাতীয় দলের জন্য বরং ফ্রাঞ্জাইজি ক্রিকেট জন্য। ক্যারিবীয় রা টি-টুয়ান্টি যুগে অনেক রাজত্ব করেছে যেমন ২০১২ আর ২০১৬ বিশ্বকাপ তারাই নিয়েছিলো সেই ১৯৭৫ ও ১৯৭৯ সালের পর আবারো চ্যাম্পিয়ন হয়েছে তারা সেই দলের ছিলো টি-টুয়ান্টি আবিষ্কার করেছিলো ড্যারেন সামি,কাইরন পোলার্ড,ডোয়াইন ব্রাভো, লিন্ডেল সিমন্স,মার্লোন সামুয়েলস মতন স্টার রা। তারা চলে যাওয়া পর এখন উইস্ট ইন্ডিজ তারকা বের হচ্ছে ঠিক এই কিন্তু দেশের জন্য শুধু ফ্রাঞ্জাইজি ক্রিকেট জন্য। দেশের চেয়ে বিদেশি লিগে আলোড়ন বেশি পরতেছে। তার চেয়ে বড় কথা জাতীয় দলে খেলে যে টাকা আয় করা যাবে তার চেয়ে দ্বিগুন টাকা আয় করবে ফ্রাঞ্জাইজি ক্রিকেট এ তার জন্য অনেক তারকা কে কম বয়সে অবসর নিতে দেখা গিয়েছে তার মধ্যে অন্য তম নিকোলাস পুরান। বয়স বা কত হয়েছে চাইলে আরো৭ বা ৮ বছর খেলতে পারতো জাতীয় দলে। শুধু মাত্র ফ্রাঞ্জাইজি ক্রিকেট কে প্রাধান্য দিতে গিয়ে জাতীয় দল কে না করে দিয়েছে। 
এইতো সেদিন তো অস্ট্রেলিয়ার সাথে টেস্ট সিরিজ কথা বলি যেভাবে ধবল ধোলাই হয়েছে পুরো উইস্ট ইন্ডিজ এইরকম পারফোরম্যান্স আসে কিনা জানা নেই সিরিজ তো হেরেছে তার উপর মাত্র ২৬ রানে অলআউট হয়ে ইতিহাস গড়েছে ক্যারিবীয়রা।

তাই তো তাদের সাবেক লিজেন্ড ব্যাটার বিডি ২৪ নিউজ বরাত দিয়েবায়ান লারা বলেছেন;
 আইপিএল কারনে খেলোয়াড় দের দেশের হয়ে খেলা ক্ষুদা নস্ট করে দিয়েছে।ম্যারুন জার্সিটা পরে শুধু মাত্র আইপিএল নজরে আশা জন্য।

তার মানে বুঝা জাচ্ছে এক আইপিএল জন্য এত কিছু উত্তর না আইপিএল মতন আরো অনেক ফ্রাঞ্জাইজি আছে সেইগুলো তে খেলার জন্য শুধু মাত্র ম্যারুন জার্সি টা পরে। 
তবে এত সসমালোচনা পরেও পাকিস্তান সাথে ওয়ানডে সিরিজ জিতে তারা জানান দিয়েছে তারা ম্যারুন জার্সিটা পরে খেলতে পছন্দ করে কিন্তু টাকা গন্ধ পেলে সেটা হারিয়ে যায়। দেখাজাবে কোন ফ্রাঞ্জাইজি নজরে চলে আসলো তাকে দলে নিয়ে নিলো এমন টা হলে এইরকম সিরিজ জিতার চেয়ে না জিতাই ভালো জিততে হলে সব সময় এই রকম মানসিকতা নিয়ে খেলতে হবে দেশের জন্য খেলতে কোন ফ্রাঞ্জাইজি ক্রিকেট জন্য না হোক না টাকা জত লোভনীয় অফার দেইনা কেন আমার কাছে জাতীয় দল সব বাকি গুলো কিছুই না । দেশের জার্সি টা গর্ভের কিন্তু ফ্রাঞ্জাইজি জার্সি টা কি গর্ভের প্রশ্ন থেকেই যায়।
আগের মতন কি উইস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট ফিরবে সেটা এখন দেখার বিষয়।

শুক্রবার, ২২ আগস্ট, ২০২৫

এশিয়া কাপের স্কোয়াড ঘোষণা!বাদ মিরাজ ও নাইম শেখ।শান্ত কোথায়?

 
আসন্ন এশিয়া কাপ স্কোয়াড ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড বিসিবি। ঘোষিত স্কোয়াড জায়গা হয়নি পাকিস্তান সিরিজে থাকা মেহেদী হাসান মিরাজ ও নাইম শেখ এর এশিয়া কাপ স্কোয়াড সুজোগ পেয়েছেন টপ এন্ড টি-টুয়ান্টি খেলতে থাকা সাইফ হাসান ও সেই দলের অধিনায়ক নরুল হাসান সোহান। মেহেদী হাসান মিরাজ মুল দলে না থাকলেও স্টান্ড বাই হিসেবে রাখা হয়েছে সাথে রয়েছে সৌম্য সরকার ও হাসান মাহমুদ এবং তানভীর ইসলাম কে। দীর্ঘ্যদিন ধরে টি-টুয়ান্টি বাইরে নাজমুল হোসেন শান্ত কে কোন অবস্থাতেই বিবেচনা করা হয়নি এশিয়া কাপের জন্য নির্বাচক রা।

এক নজরে বাংলাদেশের স্কোয়াড;

লিটন দাশ (অধিনায়ক), টানজিদ হাসান তামিম,পারভেজ হোসেন ইমন,সাইফ হাসান,তাওহীদ রিদয়,জাকের হোসেন অনিক,শামীম হোসেন পাটওয়ারী,কাজি নরুল হাসান সোহান,শেখ মেহেদী হাসান,নাসুম আহমেদ,তাসকিন আহমেদ,মুস্তাফিজুর রহমান,শরীফুল ইসলাম,

এছাড়া স্টান্ড বাই হিসেবে আছে;

মেহেদী হাসান মিরাজ, সৌম্য সরকার,তানভীর ইসলাম, হাসান মাহমুদ।

বৃহস্পতিবার, ২১ আগস্ট, ২০২৫

যে ব্যাট বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের প্লেয়াদের হাতের জোর বাড়াবে?

 
সম্প্রতি সময়ে বাংলাদেশ পুরুষ ক্রিকেটার দের ব্যাটে পাওয়া হিট বাড়াতে কোচ নিয়োগ দিয়েছে বিসিবি ইংলিশ কোচের নাম জুলিয়ান উড। ইংলিশ এই কোচ রয়েছে নিজিস্ব একাডেমি, তার শিষ্য হয়েছে রুট ব্রুক স্টোস্ক মতন তারকা রা। তাই বিসিবি এই উদ্যেগ টা ভালো লেগেছে টি-টুয়ান্টি যুগে বাংলাদেশের ব্যাটার দের হাতে পাওয়া হিট নাই টি-টুয়ান্টি তেমন পারফোরম্যান্স দেখাতে পারে না। আসন্ন নেদারল্যান্ডস ও এশিয়া কাপের প্রস্তুতি যেন ভালো মত হয় তাই কাজ ইতিমধ্যে কয়েক দিন ধরেই কাজ করছে জুলিয়ান উড। যে ব্যাট দিয়ে কাজ শুরু করেছে সেই ব্যাটের নাম হলো প্রো ভেলোসিটি ব্যাট। 

প্রো ভেলোসিটি ব্যাট কি; 

প্রো ভেলোসিটি ব্যাট কোন সাধারন ক্রিকেট ব্যাট না। এটা হচ্ছে একটি ট্রেনিং ব্যাট যেটা দিয়ে নেট প্যাক্টিস করে ক্রিকেটার রা। বেটার শট টাইমিং পাওয়া জন্য ও হিটিং হ্যান্ড কো অর্ডিনেশন উন্নত করা জন্য কাজ করে থাকে। 

এই ব্যাটের মুল কাজ হচ্ছে;

ব্যাট টা সাধারন ব্যাটের তুলোনাই হালকা পাতলা হয় এবং বল সঠিক ভাবে মিডল অফ দ্যা ব্যাটে না পড়লে শট ভালো যায়না। এতে ব্যাটার বুঝতে পারে তার কোথায় ভুল হয়েছে। আন্তর্জাতিক অনেক তারকা ক্রিকেটার এই ধরনের ব্যাট দিয়ে কাজ করে থাকে। এই ধরনের বিশেষ ব্যাট দিয়ে কাজ করা পর প্রথম আলোকে দেয়া সাক্ষাৎকার বলেন।বাংলাদেশের পুরুষ ক্রিকেটার কথা যদি বলেন তারা দীর্ঘ্যকার নয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ বা ইংল্যান্ড মত পেশির জোর নেই তারপরেও তারা কিভাবে শটে পাওয়ার আনতে পারে তা বুঝানোর কাজ করেছি।

যদি প্রো ভেলোসিটি মাধ্যমে বাংলাদেশের ব্যাটারদের জোর বারে তাহলে গোটা টিম এর জন্য এবং তাদের ক্যারিয়ার জন্য ভালো হবে। তবে ব্যাট দিয়ে কিছু হবে কিনা জানি না পেশি জোর বারানো জন্য যা যা করতে হয় তাই করতে হবে। শুধু ভাত খাইলে হবে না ভাত ছাড়া ও রুলস ফলো করতে হবে।

বুধবার, ২০ আগস্ট, ২০২৫

আন্ডার-১৫ ছেলেদের সামনে আন্ডার-পরফরম্যান্স – হারলো বাংলাদেশ নারী দল!

 
আপনাদের কি মনে আছে একটি ম্যাচ কানাডার জাতীয় নারী ফুটবল দল অনুর্ধ ১৬ দল ছেলেদের কাছে ৭-০ তে হেরেছিলো। ঠিক আজ বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দল আবারো মনে করাই দিলো সেই কথা। আমাদের দেশে নারী পুরুষ নাকি সমান সমান আসলেই কি তাই নারি পুরুষ সমান সমান। সমান অধিকার আদায় প্রায়শ আন্দোলন করতে দেখি। কিন্তু বাস্তবতা যে ভিন্ন তা আবারো প্রমান করে দিলো বাংলাদেশ অনুর্ধ ১৫ ছেলেদের সাথে ম্যাচ হেরে। চ্যালেঞ্জ কাপের প্রস্তুতি নিবেন ভালো কথা কিন্তু তাই বলে ছেলেদের সাথে খেলে। তাও আবার নিজেদের বয়স চেয়ে কম একবারো ভাবে নাই বিসিবি কর্তারা যে যদি ম্যাচ হেরে যায় তাহলে কি হবে দেশের মানুষ রা যে হালকা ভাবে নিবে না সেটা প্রায় সব ক্রিকেট বিশেষজ্ঞ রাই জানতো হলো তাই। 
অনুর্ধ ১৫ ছেলেদের দল প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৮১ রান তুলে জবাবে মাত্র ৩৮ ওভার খেলে ৯৪ রানে অলআউট হয়ে যায়। কানাডা জাতীয় দল যেভাবে ধরাশায়ী হয়েছিল মিডিয়া কাছে ঠিক তেমনি এবার বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল কে আজ এমম ভাবেই সবাই ট্রল করছে। 

নূর আহমেদ নামে একজন বলছে,পারফোরম্যান্স শুন্য পারসেন্ট আর হাইপ ১০০℅। 

নুজ হ নামে আরেকজন লিখেছে, অপোনেন্ট না এরা ভাই বাচ্চা ছেলেদের কাছে হেরেছে। 

সাদাত আমিন নামে আরেক জন লিখেছে, কয়দিন আগে না সমান সমান কথা বলেছো জ্যোতি আপু।

সাদমান হোসেন নামে আরেকজন লিখেছে, এখন পার্থক্য বুজেছো বেডা বেডি পার্থক্য খেলবা নাকি আরো। 

তবে সসমালোচনা বাদেও যে ভালো মন্তব্য করা যায় সিহাব হোসাইন নামে একজন বলেছে এই রকম আরো ১০ খেলা উচিত বলে আমি মনে করি। হারজিত কোন ব্যাপার না খেলা হারজিত থাকে। 



এই দিকে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের অধিনায়ক হারের পর সংবাদ সন্মেলন বলেছে ডেইলি ক্রিকেট বরাত দিয়ে
 
এটলিস্ট ভালো একটা সুজোগ পেয়েছি। আমরা নিজেদের মধ্যে ম্যাচ খেললে অনেক সহজ হয়ে যায় যেহুতো সবাই চেনা। নতুন অপোনেন্ট সাথে খেলতেসি তাই নতুন চ্যালেঞ্জ আসতেছে। আজকে দেখাই গেল আসল জিনিস টা কি। 

তবে আমি মনে করি এইরকম লজ্জাজনক পরিস্থিতি না পরাই ভালো না হলে ট্রলের স্বিকার হতে হবে

ক্রিকেটের ক্রান্তি কালে যখন হিরো থেকে ভিলেন

 
বিশ্বের আর কোন ক্রিকেট বোর্ড প্রেসিডেন্ট কি আছে। সরকার পরিবর্তন পরে দেশ ছেড়ে পালাতে। এমন টাই হয়েছে বাংলাদেশে। ২০২৪ সালে দেশের পট পরিবর্তন পর নতুন করে অন্তবর্তীকালিন বোর্ড প্রেসিডেন্ট হোন সাবেক ক্রিকেটার ফারুক আহমেদ। সব কিছুই ঠিক ঠাক ছিলো এতো দিন কিন্তু হঠাৎ করে ফারুক আহমেদ বিতর্ক উঠায় তার জায়গায় নিয়োগ পান আরেক সাবেক ক্রিকেটার প্রথম টেস্টের সেঞ্চুরিয়ান আমিন ইসলাম বুলবুল। 
২৮১ দিন ছিলেন বোর্ড প্রেসিডেন্ট ফারুক আহমেদ। তিনি বোর্ড প্রেসিডেন্ট থাকাকালিন বাংলাদেশ জত গুলো সিরিজ খেলেছে তা হলো।
টেস্ট ক্রিকেট; ম্যাচ, ১০ টি খেলেছে জিতেছে ৪ টিতে হার ৬ টি তে শতকরা জয় ৬০℅
ওয়ানডে; ম্যাচ ৮ জিতেছে ১ শতকরা ৭ টি তে শতকরা জয় ১২.৫℅ 
টি-টুয়ান্টি ; ম্যাচ ১০ জিতেছে ৪ হার ৬ শতকরা জয় ৪০℅ 

ফারুক আহমেদ আমলে বাংলাদেশ দল জিতেছে নাকি হেরেছে সেটা বড় কথা নয় ২৮১ দিনে ভিতর যে বিতর্ক জন্ম দিয়েছেন সেটার জন্য হলেও কিছু কথা বর্তায় জাতীয় ক্রিড়া মন্ত্রণালয়ের উপর। 
এই দিকে ফারুক আহমেদ গতকাল দেখলাম ডেইলি ক্রিকেট সাক্ষাৎকার তিনি বলেছেন, আমি দেশের ক্রান্তি কালে এসেছিলাম। সে সময়ে ইন্টেরিম(অস্থায়ী) সময়ের জন্য। ইন্টেরিম সময়ে যে জিজিস গুলো বলে আমাকে সরানো হয়েছে সেটা আমি মনে করি খুবই দূর্বল অজুহাতের জন্য। 

আপনারা কি মনে করেন মতামত দিন

মঙ্গলবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৫

ফিক্সিং বিতর্ক! খেলা নাকি নাটক?

 

বাংলা ক্রিকেট ইতিহাসে আবারো কালো অধ্যায় শুরু হয়ে গেলো। গতকাল অনলাইন এবং অফলাইন মিডিয়া তে আবারো ফিক্সিং নিয়ে নিউজ হচ্ছে। একটা সময় আমারো স্বপ্ন ছিলো বাংলাদেশ দলে খেলবো হয়তো কোন কারনে সেটা হয়ে উঠেনি। এক সময় এই ফিক্সিং কারনে মোহাম্মদ আশরাফুল ক্যারিয়ার শেষ হয়ে গেসিলো আমার চোখে সামনে আবারো সেই ফিক্সিং কান্ড বাংলাদেশ এ এটা কি মানা যায় বার বার কেন বাংলাদেশ আক্রান্ত হচ্ছে সেটাই এখন প্রশ্ন বিষয়  তাও আবার দেশের এক মাত্র আন্তর্জাতিক লীগ বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ বিপিএল। 
অনলাইন স্পোর্টস সংবাদ মাধ্যাম ডেইলি ক্রিকেট থেকে জানতে পেরেছি যে  সন্দেহ প্রাথমিক তালিকায় যারা রয়েছে তাদের ভিতর হচ্ছে ৩ থেকে ৪ জন জারা জাতীয় দলের পর্যায় খেলেছে এমন ক্রিকেটার সংখ্যা দুই জন তাদের ভিতর এক জন পেসার বাকি এক জন অফ স্পিনার এছাড়া বাকিরা জাতীয় দলে না খেলা একজন ক্রিকেটার আছে। যা গত বিপিএল অস্বাভাবিক ভাবে ওয়াইড দিয়েছে। অভিযুক্ত খেলোয়াড় ভিতর সবার বয়স প্রায় ৩৫ বছরের উপরে এদের ভিতর একজন ছিলো যে শ্রীলঙ্কা সিরিজে দলে সাথে ছিলো। আরো দুঃখ জনক ব্যাপার হলো যাদের মালিকানায় ক্রিকেটার রা খেলে তাদের ভিতর এক ফ্রাঞ্চাইজি নাম ও আছে সাথে যাদের কাছ থেকে ক্রিকেট টিপস শিখবে তারাই কিনা এতে নাম লেখায় এক জন কোচ ও আছে। 

ফিক্সিং ইস্যু নিয়ে আজ যমুনা টিভি একটি পোস্ট দেখলাম যেখনে বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম কথা বলতেছিলেন তিনি বলেছেন।
কমাদের হাতে এখনো তদন্ত রিপোর্ট হাতে আসেনি। নারী ও পুরুষ ক্রিকেটার বুকিদের হাত থেকে রক্ষা করতে বিসিবি ব্যাবস্থা নিবে। 
এই দিকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দূর্নীতি দমনে কাজ করা এলেক্স মার্শাল কে নিয়োগ দিয়েছে বিসিবি ঢাকা পোস্টে দেখলাম তিনি বলেছেন ফ্রাঞ্চাইজি লিগে সহযে দূর্নীতি বাজ রা সুজোগ পেয়ে যায় বিপিএল একটি জনপ্রিয় লীগ। এইখানে সব কিছু পেতে হবে উন্নত মানের, পেশাদার ও সুরক্ষীত। সেটা নিশ্চিত জন্য আমি কাজ করবো। আমাদের লক্ষ্য  সবাইকে দূর্নীতি বিষয়ে প্রতিরোধ ও শিক্ষিত করে তোলা। 
শুরু থেকেই যদি বিসিবি ভালো মত আইন বানাতো তাহলে আশরাফুল মতন ক্রিকেটার হারিয়ে যেত না। অদক্ষ ব্যাবস্থাপনা কারনে বার বার সুজোগ পাচ্ছে বুকিরা দূর্নীতিবাজ রা বিসিবি এবারো কি পারবে এই সব বিষয়ে সচেতন হতে নাকি আবারো ব্যার্থতা গল্প লিখবে আর দেশের সম্মান নস্ট করতে। 

সোমবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৫

Portrait of a Fast Bowler: গতির ঝড়, আগুনের মিশেল!

 
পোট্রেট অফ আ ফাস্ট বোলার,ফাস্ট বোলার! 
কথাটা মনে এলেই অবধারিত ভাবে কয়েকটা দৃশ্য চোখের সামনে ভেসে ওঠে। 

সবুজ মাঠ। স্লিপে পাঁচ – ছয়জন ফিল্ডার গোল হয়ে দাঁড়িয়ে। অন্তত পিচ যতটা লম্বা উইকেটের পেছনে ততটাই দূরে দাঁড়িয়ে উইকেট কিপার। 

এবার ক্লোজ আপ। 

দৃপ্ত পদক্ষেপে নিজের বোলিং মার্কের দিকে হেঁটে যাচ্ছেন এক বিশালাকায় পুরুষ। ফুল স্লিভ শার্ট, কনুই অব্দি গোটান। জামার ওপরের বেশ কয়েকটা বোতাম খোলা থাকায় বিশাল লোমশ বুক দেখা যাচ্ছে। আর হাঁটার ছন্দে সেই বুকের ওপর দুলছে রুপোলী ক্রস। 

এক মাথা অবিন্যস্ত চুল নিয়ে ব্যাটসম্যানের দিকে ঘুরে দাঁড়ালেন আমাদের নায়ক। দর্শকদের হাততালি আরম্ভ হোল। 

অন্তত ষোল-সতের স্টেপের রান আপ। পেটের কাছে ডান হাতে বল নিয়ে আর বাঁ হাত দিয়ে সেটিকে ঢেকে দৌড় আরম্ভ করলেন। তার স্টেপের সঙ্গে সঙ্গে গ্যালারি থেকে ভেসে আসছে হাততালির শব্দ, সেই সঙ্গে তার নাম ধরেও বার বার ডাকছে দর্শকেরা। ক্রিজের কাছে আসার একটু আগে ডান হাত দুলতে লাগল উরুর পাশে – যেন পরিবেশ থেকে শক্তি সংগ্রহ করছে। 

ক্রিজের একটু পেছন থেকে বিশাল লাফ দিয়ে বাতাসে ভেসে গেল শরীর, সেই সঙ্গে বল ধরা হাতটি উঠে এল মাথার অল্প ওপরে। ক্রিজের ওপর বাঁ পায়ের সঙ্গেই চাবুকের তীব্রতায় নেমে এল তার ডান হাতটিও। তার আগেই শত্রুর উদ্দেশ্যে ছোড়া হয়ে গেছে তার অস্ত্র যা এখন ধেয়ে চলেছে ব্যাটসম্যানের দিকে দূর্বার গতিতে। তার শরীরও এগিয়ে চলেছে সামনের দিকে, প্রায় ব্যাটসম্যানের ক্রিজের সামনে। 

তারপর হয়ত সাফল্যের উদ্দামতায় সে আরও একবার লাফিয়ে উঠল। অথবা অভিযোগের দৃষ্টিতে ঈশ্বরের উদ্দেশ্যে বিড়বিড় করে কয়েকটি শব্দ মুখ থেকে বেরিয়ে এল। তারপর ডান হাতের প্রথম আঙুল দিয়ে কপালের ঘাম মাটিতে নিক্ষেপ করে আবার ফিরে চলল নিজের বোলিং মার্কের দিকে।   

ওপরের দৃশ্যটা আইডিয়াল, আদর্শ। কিন্তু আদর্শের সঙ্গে বাস্তবের মিল জীবনে কদাচিৎ হয়। কিন্তু যদি জিজ্ঞেস করা হয় ক্রিকেট ইতিহাসের কোন ফাস্ট বোলার এই আদর্শের সবচেয়ে কাছাকাছি পৌঁছতে সক্ষম হয়েছেন, এতটাই যে যারা তাকে দেখেছেন তাদের কাছে ফাস্ট বোলারের আদর্শের উল্লেখ মাত্রই তার বল করার দৃশ্য চোখের সামনে ভেসে ওঠে – তাহলে বেশীরভাগ বোদ্ধা, সমকালীন ক্রিকেটার এবং সাধারন দর্শক যার নাম সবচেয়ে বেশীবার নেবেন তিনি হচ্ছেন ডেনিস কিথ লিলি। 

ওনাকে লাইভ পারফর্ম করতে দেখার সৌভাগ্য আমার হয় নি – টিভিতেও না। তবে তার অসাধারন রেকর্ড দেখেছি। কিন্তু এখানে তিনি সর্বোত্তম নন। মার্শাল, হ্যাডলি, ডেল স্টেইন, এমব্রজ, ম্যাকগ্রা – খুব বেশী হলে তাদের সঙ্গে এক সারিতে বসানো যেতে পারে লিলিকে নিছক রেকর্ডের ভিত্তিতে। 

কিন্তু আমাদের ভাগ্য ভালো যে লিলির বেশ কিছু উঁচু মানের ভিডিও রয়েছে ইউ টিউবে। ক্রিকেট যারা ভালোবাসের তাদের অনুরোধ করব ভিডিওগুলি দেখুন। সম্ভব হলে বারবার। এবং সেই সঙ্গে অন্যান্য সমকালীন ফাস্ট বোলার আর ব্যাটসম্যানদের ইন্টার্ভিউগুলিও দেখুন। দেখতে পাবেন সবার মুখে একটা নাম ঘুরে ফিরে আসছে – ডেনিস লিলি। 

তিনি ভিভ রিচার্ডসের দেখা শ্রেষ্ঠ বোলার। সানি গাভাস্কারেরও। এবং ইয়ান বথাম। রিচার্ড হ্যাডলি তো নিজেকে গড়েই তুলেছেন তার আদলে। গ্লেন ম্যাকগ্রারও রোল মডেল সেই লিলিই। আরও এক চ্যাম্পিয়ন ফাস্ট বোলার এন্ডি রবার্টসও একবাক্যে স্বীকার করে নিয়েছেন লিলির শ্রেষ্ঠত্ব। লয়েডের বিশ্বত্রাস ফাস্ট বোলিং ইউনিটের অনুপ্রেরণার উৎসও লিলির নেতৃত্বে অস্ট্রেলিয়ার দুর্ধর্ষ পেস আক্রমন। 

কি নেই লিলির মধ্যে? প্রথমেই যেটা চোখে পড়বে সেটা হচ্ছে তার শ্বেতপাথরে খোদাই করা বিশালাকায়, শক্তিশালী এবং অসম্ভব সুন্দর শরীর। একঝাঁক কোঁকড়ানো চুল। পুরুষালি মুখের গঠন। দৃপ্ত হাঁটার ভঙ্গি। 

তবে আমার মতে তার বোলিঙের সবচেয়ে আকর্ষণীয় অংশটি হচ্ছে তার বল হাতে ছোটার দৃশ্য। পাশ থেকে লিলির ছুটন্ত শরীর দেখে মনে হয় এর চেয়ে স্বাভাবিক দৃশ্য আর কিছুই হতে পারে না। যেন ঈগল আকাশে ডানা মেলে দিয়েছে। বা সিংহ চলেছে নিজের শিকারের সন্ধানে। 

তারপর চোখে পড়বে লিলির অনবদ্য বোলিং একশন। হয়ত হ্যাডলির মতো শক্তি সঞ্চয়কারী নয়। বা ইমরানের মতো শেষ লাফটিও অতটা দর্শনীয় নয়। কিন্তু সব মিলিয়ে দুজনের চেয়েই তার একশান বেশী দৃষ্টিসুখ দেয়। 

এবার বলের গতি। এখানেও লিলি পেছিয়ে থাকবেন না প্রায় কারোর চেয়েই। প্রায় লিখলাম একমাত্র তার সতীর্থ জেফ টমসনের কথা চিন্তা করে। তুবও লিলির বল মাথার ওপর থেকে লাফিয়ে এক হাতে গ্যাদার করছেন মার্শ – এ দৃশ্য দেখতে পাবেন প্রায়ই। বা ব্যাটসম্যানের নাকের সামনে দিয়ে বিদ্যুৎগতিতে বেরিয়ে যাওয়া বাউন্সার। 

এবার নিয়ন্ত্রণ। সাধারণত গতি আর নিয়ন্ত্রণ একসঙ্গে খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। কিন্তু এখানেও লিলি উজ্জ্বল ব্যাতিক্রম। শুধু অসাধারন নিয়ন্ত্রনই নয়, সেই সঙ্গে তার বলে ছিল মারাত্মক কাজও। স্যুইং এবং কাট, উইকেটের দুই দিকেই। তার আউট স্যুইং বা লেগ কাটারের প্রমান হিসেবে ক্রিকেট রেকর্ডে পাবেন ৯৫ বার ‘কট মার্শ বো লিলি’ (বিশ্বরেকর্ড) বা ২২ বার ‘ক গ্রেগ (চ্যাপেল) বো লিলি’। আবার ইন স্যুইং বা অফ কাটারের ওপর দক্ষতার নিদর্শন স্বরুপ রয়েছে ৬২ বার এল বি ডাব্লিউ আর ৫৪ বার বোল্ড করে উইকেট দখল করার রেকর্ড। 

বল করার পর লিলির অ্যাপিলের ভঙ্গিও কম অ্যাপিলিং নয়। দুই হাত আকাশের দিকে তুলে আম্পায়ারের কাছে উইকেটের জন্যে আবেদন নয়, দাবি জানাতেন লিলি। কখনও বা দেখা যেত আউট দিতে সেকেন্ডের ভগ্নাংশের দেরি হয়ে যাওয়াতে অধৈর্য বিরক্তির প্রকাশ। আর প্রার্থিত নির্ণয় পেয়ে যাওয়ার পর দুই হাত তুলে লাফাতে লাফাতে স্লিপের দিকে ছুটে যাওয়া। ক্যামেরার ক্লোজ আপে ধরা পড়ত মুখে আনন্দের হাসি, কপালে ঘাম। 

তবে একঘেয়ে নন লিলি। তার ক্রিকেট জীবনে বৈচিত্র আর বিতর্কেরও অভাব নেই।  

ক্যারিয়র আরম্ভের কিছুদিন পরেই স্পাইনের আঘাতে দেড় বছরের জন্যে মাঠের বাইরে যেতে বাধ্য হন লিলি। একসময় সবাই ভেবেছিল তার পক্ষে আর ক্রিকেট খেলা সম্ভবই হবে না। কিন্তু অসাধারন মনের জোর আর পরিশ্রমের মাধ্যমে লিলি শুধু ফিরেই আসেন নি, ফিরে আসেন আরও সম্পূর্ণ বোলার হয়ে। এরপর প্রায় তিন বছর টেস্ট খেলেন নি লিলি ১৯৭৭ থেকে। সেই সময় ক্যারি প্যাকারের ‘ওয়ার্ল্ড সিরিজ’ ক্রিকেটে অংশ নেন অস্ট্রেলিয়া আর ওয়েস্ট ইন্ডিজের তারকারা। সেই সময় ক্রিকেট জীবনের অন্যতম সেরা ফর্মে ছিলেন লিলি। টেস্ট খেললে এই সময় তিনি ৭০ থেকে ১০০টি উইকেট পেতেন অনায়াসে। সে ক্ষেত্রে ৪০০ উইকেটের মাইলস্টোন অবধারিত ভাবেই লিলি প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে ছুঁয়ে ফেলতেন। 

নিজের ক্রিকেট ক্ষমতা সম্বন্ধে পুরোমাত্রায় সচেতন ছিলেন লিলি। সেই সঙ্গে তার ছিল ফাস্ট বোলার সুলভ মেজাজ আর দম্ভও। ক্রিকেট মাঠে বারবার বিতর্কে জড়িয়েছেন লিলি তার মেজাজের জন্যে। কখনও জাভেদ মিয়াদাদকে লাথি মেরে, কখনও অ্যালুমিনিয়াম ছুঁড়ে নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করে, কখনও বা সুনীল গাভাস্কারের প্যাডে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে যে কেন তিনি এল বি ডাবলু আউট ছিলেন। 

তবে তার মধ্যে একটা ঘটনা বেশ মজার। সেদিন লিলি বেশ কয়েকবার আম্পায়ার ডিকি বার্ডের কাছে বল পরিবর্তনের আবেদন জানান কারন বলের শেপ নাকি নষ্ট হয়ে গেছিল। প্রত্যেকবারই লিলির আবেদন নাকচ করে দেন বার্ড। শেষে তার একটা ওভারের চারটি বল হয়ে যাওয়ার পর আরও একবার বল হাতে বার্ডের দিকে এগিয়ে যান লিলি। 

‘ওভারটা শেষ হোক, তারপর দেখছি।‘ বলে নিজের জায়গায় দাঁড়িয়ে পড়েন ডিকি।

রাগে ফুঁসতে ফুঁসতে ওভারের শেষ দুটো বল অফ স্পিন করেন লিলি। ওনার বক্তব্য পরিষ্কার – একজন ব্যাটসম্যানের ব্যাটে কোনধরনের সমস্যা হলে সেটা তৎক্ষণাৎ পরিবর্তন করে নিতে পারে ব্যাটসম্যান। সেই অধিকার বোলারের থাকবে না কেন? 

লিলির করা সেই দুটি অফ স্পিন বলের ভিডিও দেখেছি। সেখানেও দেখা যাচ্ছে বল করার পর উইকেট পাওয়ার আশায় আকশের দিকে দুই হাত তুলে ফলো থ্রুতে এগিয়ে যাচ্ছেন লিলি। 

করলেনই বা অফ স্পিন – তবুও তিনি লিলি। 
#সংগৃহীত

রবিবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৫

এশিয়া কাপে বাবর–রিজওয়ান নেই পাকিস্তানের দলে।বড় ধাক্কা খেল কি পাকিস্তান?

 


বাবর–রিজওয়ান বাদ! এশিয়া কাপের জন্য পাকিস্তানের চূড়ান্ত দল ঘোষণা

আপডেট: ১৭ আগস্ট ২০২৫ • ইউএই (শারজাহ/দুবাই/আবুধাবি)
এশিয়া কাপ ২০২৫: পাকিস্তান স্কোয়াড ঘোষণার সংবাদ সম্মেলন

বড় চমক: পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) এশিয়া কাপ ২০২৫ ও তার আগে ইউএই ত্রিদেশীয় টি২০ সিরিজের জন্য ১৭ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে—আর সেই স্কোয়াডে নেই দেশের দুই তারকা ব্যাটার বাবর আজমমোহাম্মদ রিজওয়ান। নতুন দলে নেতৃত্বে থাকছেন সালমান আলি আগা

কেন বাদ পড়লেন বাবর–রিজওয়ান?

  • টি২০ স্ট্র্যাটেজি বদল: দ্রুত রান তোলায় সক্ষম, উচ্চ স্ট্রাইক-রেটের ব্যাটারদের অগ্রাধিকার—সাইম আয়িউব, সাহিবজাদা ফারহান ও ফখর জামানকে এগিয়ে রাখা হয়েছে।
  • টেকনিক্যাল ইস্যু: হেড কোচ মাইক হেসন জানান, বাবরের স্পিনের বিপক্ষে দুর্বলতাস্ট্রাইক-রেট উন্নত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে; উন্নতি হলে ভবিষ্যতে দলে ফেরার দরজা খোলা।
  • টি২০ থেকে সাম্প্রতিক অনুপস্থিতি: ২০২৪ সালের ডিসেম্বরের পর থেকে দুইজনের কারও টি২০আই না খেলা—নতুনদের পরীক্ষার সুযোগ।

সূত্র: AP News, Business Standard, NDTV Sports, Hindustan Times, Times of India

টুর্নামেন্টের সময়–স্থান

  • ইউএই ট্রাই-সিরিজ: ২৯ আগস্ট–৭ সেপ্টেম্বর, শারজাহ
  • এশিয়া কাপ ২০২৫: ৯–২৮ সেপ্টেম্বর, দুবাই ও আবুধাবি

পাকিস্তানের ১৭ সদস্যের স্কোয়াড

সাইম আয়িউব সাহিবজাদা ফারহান ফখর জামান মোহাম্মদ হারিস সালমান আলি আগা (অধিনায়ক) হাসান নবাজ হুসেইন তালাত ফাহিম আশরাফ খুশদিল শাহ মোহাম্মদ নবাজ মোহাম্মদ ওয়াসিম সালমান মির্জা শাহীন শাহ আফ্রিদি হারিস রউফ হাসান আলি সুফিয়ান মুকিম আবরাার আহমেদ

কোচের বার্তা

মাইক হেসনের ভাষ্য—“এখনকার স্কোয়াডটি ধারাবাহিকভাবে ভালো করছে; তবে বাবরের মতো খেলোয়াড়রা বিবিএল-এ পারফর্ম করে টি২০তে প্রয়োজনীয় উন্নতি দেখাতে পারলে ভবিষ্যতে জায়গা পাবে।” বিডি ক্রিকটাইম থেকে নেয়া।

কী বোঝায় এই সিদ্ধান্ত?

পাকিস্তান স্পষ্টতই টি২০-তে উচ্চ টেম্পো ব্যাটিং পথে হাঁটছে। অভিজ্ঞ দু’জনকে বিশ্রাম/ড্রপ করে নতুন কম্বিনেশনে আগ্রাসী ওপেনিং–মিডল অর্ডার গড়ার চেষ্টা—এশিয়া কাপে ভারতের মতো বড় প্রতিপক্ষের বিপক্ষেও এই টেম্পো ধরে রাখতে চাওয়া।

লেখক: ওসমান গনি ২০২৫ ১৭ আগস্ট

বিশ্বের এক নম্বর ধনী ক্রিকেট বোর্ড:তারপরেও বারবার স্পন্সর হারায় কেন বলেন তো?

  ইন্ডিয়া ক্রিকেট টিমে কোনটা অভাব রয়েছে বলেন তো?   তাদের অর্থনৈতিক অবস্থা ক্রিকেটার দের অবস্থা কিংবা কোচ বা টিম ম্যানেজমেন্ট ব্যাবস্থা এবং ন...