বাংলা ক্রিকেট ইতিহাসে আবারো কালো অধ্যায় শুরু হয়ে গেলো। গতকাল অনলাইন এবং অফলাইন মিডিয়া তে আবারো ফিক্সিং নিয়ে নিউজ হচ্ছে। একটা সময় আমারো স্বপ্ন ছিলো বাংলাদেশ দলে খেলবো হয়তো কোন কারনে সেটা হয়ে উঠেনি। এক সময় এই ফিক্সিং কারনে মোহাম্মদ আশরাফুল ক্যারিয়ার শেষ হয়ে গেসিলো আমার চোখে সামনে আবারো সেই ফিক্সিং কান্ড বাংলাদেশ এ এটা কি মানা যায় বার বার কেন বাংলাদেশ আক্রান্ত হচ্ছে সেটাই এখন প্রশ্ন বিষয় তাও আবার দেশের এক মাত্র আন্তর্জাতিক লীগ বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ বিপিএল।
অনলাইন স্পোর্টস সংবাদ মাধ্যাম ডেইলি ক্রিকেট থেকে জানতে পেরেছি যে সন্দেহ প্রাথমিক তালিকায় যারা রয়েছে তাদের ভিতর হচ্ছে ৩ থেকে ৪ জন জারা জাতীয় দলের পর্যায় খেলেছে এমন ক্রিকেটার সংখ্যা দুই জন তাদের ভিতর এক জন পেসার বাকি এক জন অফ স্পিনার এছাড়া বাকিরা জাতীয় দলে না খেলা একজন ক্রিকেটার আছে। যা গত বিপিএল অস্বাভাবিক ভাবে ওয়াইড দিয়েছে। অভিযুক্ত খেলোয়াড় ভিতর সবার বয়স প্রায় ৩৫ বছরের উপরে এদের ভিতর একজন ছিলো যে শ্রীলঙ্কা সিরিজে দলে সাথে ছিলো। আরো দুঃখ জনক ব্যাপার হলো যাদের মালিকানায় ক্রিকেটার রা খেলে তাদের ভিতর এক ফ্রাঞ্চাইজি নাম ও আছে সাথে যাদের কাছ থেকে ক্রিকেট টিপস শিখবে তারাই কিনা এতে নাম লেখায় এক জন কোচ ও আছে।
ফিক্সিং ইস্যু নিয়ে আজ যমুনা টিভি একটি পোস্ট দেখলাম যেখনে বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম কথা বলতেছিলেন তিনি বলেছেন।
কমাদের হাতে এখনো তদন্ত রিপোর্ট হাতে আসেনি। নারী ও পুরুষ ক্রিকেটার বুকিদের হাত থেকে রক্ষা করতে বিসিবি ব্যাবস্থা নিবে।
এই দিকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দূর্নীতি দমনে কাজ করা এলেক্স মার্শাল কে নিয়োগ দিয়েছে বিসিবি ঢাকা পোস্টে দেখলাম তিনি বলেছেন ফ্রাঞ্চাইজি লিগে সহযে দূর্নীতি বাজ রা সুজোগ পেয়ে যায় বিপিএল একটি জনপ্রিয় লীগ। এইখানে সব কিছু পেতে হবে উন্নত মানের, পেশাদার ও সুরক্ষীত। সেটা নিশ্চিত জন্য আমি কাজ করবো। আমাদের লক্ষ্য সবাইকে দূর্নীতি বিষয়ে প্রতিরোধ ও শিক্ষিত করে তোলা।
শুরু থেকেই যদি বিসিবি ভালো মত আইন বানাতো তাহলে আশরাফুল মতন ক্রিকেটার হারিয়ে যেত না। অদক্ষ ব্যাবস্থাপনা কারনে বার বার সুজোগ পাচ্ছে বুকিরা দূর্নীতিবাজ রা বিসিবি এবারো কি পারবে এই সব বিষয়ে সচেতন হতে নাকি আবারো ব্যার্থতা গল্প লিখবে আর দেশের সম্মান নস্ট করতে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন