বৃহস্পতিবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৫

বিশ্বের এক নম্বর ধনী ক্রিকেট বোর্ড:তারপরেও বারবার স্পন্সর হারায় কেন বলেন তো?

 
ইন্ডিয়া ক্রিকেট টিমে কোনটা অভাব রয়েছে বলেন তো?  
তাদের অর্থনৈতিক অবস্থা ক্রিকেটার দের অবস্থা কিংবা কোচ বা টিম ম্যানেজমেন্ট ব্যাবস্থা এবং না না রকম ফ্যাসিলিটি কিসের অভাব আছে।বিশ্বের এক নম্বর ধনী ক্রিকেট বোর্ড বা লিজেন্ড তৈরি কারখানা কি নেই এরপরেও অভাব পরে বার বার। হ্যা শুনতে খারাপ লাগলেও এটাই সত্যি তারা সব সময় স্পন্সর অভাবে পড়ে।

আসন্ন এশিয়া কাপ ২০২৫ টুর্নামেন্ট নাকি স্পন্সর ছাড়াই নাকি খেলতে হবে।এক তো পাকিস্তান সাথে এক রকম অসস্থী অন্য দিকে কোন স্পন্সর নাই দুই দিক দিয়ে একটু চাপেই থাকবে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। কারন তো হচ্ছে বিশ্বের এক নম্বর ধনী ক্রিকেট বোর্ড বলে কথা। 

এখন পর্যন্ত কোন কোন স্পন্সর ছেড়ে গিয়েছে বা কোন কারনে ছেড়ে গিয়েছে তাহল;

সাহারা ইন্ডিয়া পরিবার ২০০১ সাল থেকে ২০১৩ সাল পর্জন্ত ছিল তারা এরপর দিউলিয়া জনীত কারনে স্পন্সর বাতিল হয়ে যায়।

এরপর আসে স্টার ইন্ডিয়া অধিকার হারায়,তারপর আসে চায়না মোবাইল ব্রান্ড ওপপো চীনের সাথে জামেলা কারনে বয়কট করে দেই তারপর স্পন্সর হারায় ভারতীয় ক্রিকেট দল। এরপর আসে বায়জুস লোকশান আর ব্যাংকের ঋন জনীত কারনে স্পনসর হারায়।আর সব শেষ ড্রিমি ১১ অনলাইন জুয়া প্রচারণা জন্য ভারতীয় ক্রিকেট দলের স্পন্সর হারায়।

তবে প্রশ্ন? টা থেকে যাচ্ছে এত বড় ধনী ক্রিকেট বোর্ড কেন বার বার স্পন্সর সমস্যা পড়ে?

বুধবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৫

ক্রিকেটের মাফিয়া ডন!শুভ জন্মদিন স্যার ডন ব্যাডম্যান।

 
স্যার ডন ব্যাডম্যান যার নাম শুনলেই মনে হয় কোন জগতের মাফিয়া ডন। হ্যা ঠিক এই বলেছি তিনি একটি জগতের মাফিয়া ডন আর সেটা হল টেস্ট ক্রিকেটের ব্যাটাদের ডন তিনি। কেনবা হবে না যার টেস্ট গড় ৯৯.৯৪ এমন গড় তো দূরে কথা ইতিহাসে এমন কোন ব্যাটার নেই যে ৭০ বেশি গড় নিয়ে টেস্ট ক্যারিয়ার শেষ করেছে। অনেক লিজেন্ড এসেছে আবার বিদায়ও নিয়েছে কিন্তু ডন ব্যাডম্যান এর রেকর্ড অবদি কেও স্পর্শ করতে পারিনি আজো। সচিন টেন্ডুল কার স্যার ভিভ রিচার্ড, রিকি পন্টিং হালের বর্তমানে ভিরাট কোহলি জো রুট রাও রাকে স্পর্শ করতে পারিনি কারন তিনি আজো সবার মনে ডন হিসেবে রয়ে গেছে অনেক ক্রিকেট ব্যাটার দের আইডল ও তিনি দ্যা মাফিয়া স্যার ডন ব্যাডমান। 

স্যার ডন ব্যাডম্যান জন্ম ১৯০৮ সালে নিউ সাউথ ওয়েলস শহর কুটামন্ড্রা জন্ম গ্রহন করেছেন।তার পুরো নাম ডোনাল্ড জর্জ ব্যাডম্যান। ফাস্ট ক্লাস ক্রিকেট অভিষেক ঘটে ১৯২৭ সালে নিউ সাউথ ওয়েলস হয়ে।

আর অস্ট্রেলিয়া হয়ে শুরু করেন ১৯২৮ সাল থেকে ১৯৪৮ সাল ক্যারিয়ারে ৫২ টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন ৮০ ইনিংস ৯৯.৯৪ গড়ে রান করেছেন ৬,৯৯৯ রান যেখানে সেঞ্চুরি রয়েছে ২৯ টি আর ফিফটি রয়েছে মাত্র ১৩ টি ক্যারিয়ার লাস্ট ইনিংস যদি শুন্য রানে আউট না হতেন তাহলে ১০০ গড় নিয়ে শেষ করতে পারতেন তিনি।ইন্টারন্যাশনাল ক্যারিয়ার মত ফাস্ট ক্লাস ক্রিকেট ও সেরাদের সেরা ২৩৪ ম্যাচে ২৮,০৬৭ রান করেছে যেখানে ৩৩৮ ইনিংস এ ১১৭ সেঞ্চুরি পাশাপাশি ৬৯ ফিফটি করেছেন সেখানেও গড় ৯৪.১৪ এখনো কেও ভাঙতে পারিনি। 
আজ এই মহান ক্রিকেটার জন্মদিন যার আসে পাশে কেউ নেই তিনি একাই দ্যা মাফিয়া ডন ব্যাডম্যান,শুভ জন্মদিন। ২০০১ সালে ২৫ ফেব্রুয়ারী এই গ্রেট ক্রিকেটার মৃত্যু।

মঙ্গলবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৫

কীর্তি মানের মৃত্যু নাই! ওয়ানডে ক্রিকেট ইতিহাসে প্রথম উইকেট নেওয়া ক্রিকেটার মৃত্যু।

 

যেদিন থেকে ক্রিকেট বুঝি ঠিক সেদিন থেকেই ভালো ক্রিকেট খেলা দেখতে থাকি বিশেষ করে টেস্ট চেয়ে ওয়ানডে খেলা দেখতে পছন্দ করতাম। ১৯৭১ সালে ওয়ানডে ক্রিকেট যাত্রা শুরু হয়। আপানারা কি জানেন প্রথম উইকেট টা কে নিয়েছিল কেন শাটলওয়ার্থ যার অবদান ছাপিয়ে গিয়েছে ইংলান্ড ক্রিকেট ছেলে সুহুদুর নিউজিল্যান্ডে ও আরো অবদান রয়েছে ১৯৭০'৭১ও ৭২ সালের গিলেপ কাপের তার চোখ ধাধানো সব পারফোরম্যান্স স্বরুপ ৩ আস রেই চ্যাম্পিয়ন হয়ে ছিলেন। 

 দ্যা সান,দ্যা ইন্ডিপেন্ডেন্ট, উইকিপিডিয়া, টি স্পোর্টস তথ্য অনুযায়ী ।

শাটলওয়ার্থ জন্ম সেন্ট হেলেন্সে ল্যাঙ্কাশায়ারে ১৯৪৪ সালে ১৩ নভেম্বর জন্ম গ্রহন করেন ১৯৬৪ সালেই এই ল্যাঙ্কাশায়ারে হয়ে ফাস্ট ক্লাস ক্রিকেট জীবন শুরু করেন। ১৯৭১ সালে ইতিহাসের প্রথম ওয়ানডে ক্রিকেট ম্যাচে তিনি প্রথম উইকেট শিকার করেন মেলবর্ন ক্রিকেট স্টোডিয়ামে সেই ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এছাড়া অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ১৯৭০ সালে ব্রিসবেনে আ্যশেজ টেস্টে ক্যারিয়ার প্রথম ম্যাচেই নিয়েছিলেন ৫ উইকেট। খেলেছেন মাত্র ৫ টি টেস্ট উইকেট নিয়েছেন ১২ উইকেট। এছাড়া ল্যাঙ্কাশায়ারে হয়ে ১৭৭ টেস্ট ৪৮৪ উইকেট নেন জার গড় ছিলো ২২.১৭ ১৯৬৮ সালে ফাস্ট ক্লাস ক্রিকেট ক্যারিয়ার সেরা ৪১/৭ সেরা বোলিং করেন তিনি। শুধু তাই নয় আরো ৯৯ টি উইকেট শিকার করেন ল্যাঙ্কাশায়ারে হয়ে। গিলেট কাপ বাদেও আরো দুইটি ট্রফি জিতেন তিনি। ইঞ্জুরি কারনে ইন্টারন্যাশনাল ক্যারিবেশি দূর নিয়ে জেতে পারেন নি তিনি। 

ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়া পর ব্রিটিশ কোল এ মার্কেটিং কাজ করেছিলেন তিনি, এছাড়া সিভিল ইঞ্জিনিয়ার ব্যাবসাও যুক্ত হন। বেশ কিছুদিন ফাস্ট ক্লাস ক্রিকেট ও আম্পায়ার করেছিলেন।২০২১ সালে ল্যাঙ্কাশায়ারে হল অভ ফেইম জাইগা করে নেন। 

৮০ বছর বয়সে চিরবিদায় নিয়েছেন এই ল্যাঙ্কাশায়ারে কিংবদন্তি। ক্রিকেট যতদিন থাকবে ততদিন তাকে মনে করতে হবে কেননা ওয়ানডে ক্রিকেট এর প্রথম উইকেট টা তিনি নিয়েছিলেন। 

সোমবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৫

যাদের গড় কখনো ৩০ নিচে নামেনি

 

আপনারা কি জানেন বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেট ইতিহাসে দুই জন ব্যাটার রয়েছেন তাদের গড় কখনো ৩০ নিচে নামে নি। ২০০০ সালে টেস্ট স্টাটাস পাওয়া পর বাংলাদেশ ক্রিকেট অনেক উথান পতন হয়েছে আমিনুল ইসলাম বুলবুল প্রথম সেঞ্চুরি ২০০১ সালে আশরাফুলের সর্ব কনিষ্ট সেঞ্চুরি করা ইতিহাসে পাতায় আজো গেথে আছে। ২০০৪ সালে প্রথম টেস্টে জয় যেমন ইতিহাস হয়ে আছে ঠিক তেমন এই বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে দুইজন ব্যাটার রয়েছে তাদের গড় ৩০ নিচে নামেনি সেই দুইজন ব্যাটার হচ্ছে প্রথম টেস্টের জয়ের অধিনায়ক মি: ফিফটি খ্যাত সাবেক নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমুন ও সাবেক অধিনায়ক বর্তমানে টেস্টের ভরসা মমিনুল হক সৌরভ 
 বলতে পারেন আবুল হাসানের গড় ৮২.৫ বা তানজিম সাকিবের গড় ৪১। কিন্তু তারা তো পর্যাপ্ত পরিমাণ ম্যাচ খেলেনি৷ তাই অন্তত ১০ টেস্ট খেলেছে, যাদের মাঝেই যদি ধরি হাবিবুল এবং মুমিনুলের গড় ৩০ এর কমে যায়নি। দুইজনের মাঝে এক অদ্ভুত মিলও আছে৷ কি সে মিল? দেখা যাক।

 হাবিবুল বাশার:
নিজের প্রথম টেস্ট ইনিংসে করেছেন ৭১; যেটি ছিল বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের প্রথম টেস্ট; ঐতিহাসিক সেই টেস্টে ফিফটি করে টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম হাফ সেঞ্চুরিয়ন বনে যান হাবিবুল বাশার। গড় তো তখনই ৭১.০০ হয়ে গিয়েছে, সেই গড়কে আর ৩০ এর কমে নামতে দেননি হাবিবুল।মজার বিষয় কি জানেন? হাবিবুল বাশারের বর্তমান ক্যারিয়ার টেস্ট গড় ৩০.৮৭, আর এটাই হাবিবুলের টেস্ট ক্যারিয়ারের সর্বনিম্ন গড় (৩০.৮৭)।

 মুমিনুল হক:
মুমিনুলের টেস্ট ক্যারিয়ার শুরু ৫৫ রানের ইনিংস দিয়ে, অর্থাৎ প্রথম ইনিংস শেষে মুমিনুলের গড় ৫৫.০০। সেই গড়টা এক সময় ৬০ ও ছাড়িয়েছে। মাঝে তো ১০ টেস্ট খেলা ব্যাটারদের মাঝে ব্রাডম্যানের পর মুমিনুলের গড় সর্বোচ্চ ছিলো, ৬২ এর মত। ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে টানা ১১ টেস্টে ফিফটি পেয়েছিলেন মুমিনুল। সেই মানুষটা অফ ফর্মে গেলো, আর তার গড় কমতে কমতে এখন গড়টা ৩৬.৭২। হাবিবুলের সাথে মিল কোথায় জানেন? মুমিনুলের এই ৩৬.৭২ গড় তার ক্যারিয়ারের সর্বনিম্ন গড়।

যদিও মুমিনুলের ক্যারিয়ার শেষ হয়ে যায়নি। যাই এই গড়ের মানটা উঠানামা করবে। তবে আপাতত ২২ আগস্ট, ২০২৫ মোতাবেক হাবিবুল ও মুমিনুল, দুইজনই নিজেদের টেস্ট ক্যারিয়ারের সর্বনিম্ন গড়ের মালিক হয়েছেন নিজেদের শেষ টেস্টে৷

রবিবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৫

এশিয়া কাপে ২০২৫ বাংলাদেশ দলের ভিতর কার সর্বোচ্চ রআন? জেনে নিন রেকর্ডবুকের চমকপ্রদ তথ্য!

 

আসন্ন এশিয়া কাপের জন্য বাংলাদেশ স্কোয়াড ঘোষণা করেছে। এই স্কোয়াড এর সর্বোচ্চ রান কার আর সর্বনিম্ন রান কার চলুন বিশ্লেষন করি।

যদি টপ অর্ডার ব্যাটার হিসাব করি তাহলে সর্বোচ্চ রান হচ্চে লিটন দাশের ১০৭ ম্যাচে তার রান ২২৯২ আর অল্প কিছু রান করলেই সাকিব মাহমুদুল্লাহ কে টপকে সর্বোচ্চ রান সংগ্রহ তালিকায় সবার উপরে চলে আসবে লিটন দাশ টপ অর্ডারে ২ য় স্থানে রয়েছে তানজিদ হাসান তামিম ২৯ ম্যাচে রান সংগ্রহ করেছে ৬৫৫ রান এরপর রয়েছে পারভেজ হোসেন ইমন ১৭ ম্যাচে ৩৭৩ রান সংগ্রহ করেছে।আর সবার শেষে রয়েছে দুই বছর পর দলে ফেরা সাইফ হাসান ৫ ম্যাচে ৫২ রান করেছে।
এবার আশা জাক মিডল অর্ডার সবার উপরে রয়েছে তাওহীদ রিদয় ৪৩ ম্যাচে ৯০০ রান করেছে।তার পরের অবস্থান গুলোতে রয়েছে জাকের আলী অনিক ৩৩ ম্যাচে ৫৭১,নরুল হাসান সোহান ৪৫ ম্যাচে ৪৪৫ রান,শামীম হোসেন ৩৪ ম্যাচে ৪২৬ রান,শেখ মেহেদী হাসান ৬১ ম্যাচে ৪০১ রান সংগ্রহ করেছে।

লোয়ারঅর্ডার এবং বোলার দের রান সংগ্রহ তালিকায় সবার উপরে রয়েছে মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন তিনি করেছেন ৪১ ম্যাচে ২৪৭ রান তারপর পরের অবস্থান গুলোতে আছে তাসকিন আহমেদ ৭৬ ম্যাচে ২০০ রান, রিশাদ হোসেন ৪০ ম্যাচে ১৭০ রান, তানজিম হাসান সাকিব ২৮ ম্যাচে ১৩৯ রান,মুস্তাফিজুর রহমান ১১১ ম্যাচে ৮৭ রান,নাসুম আহমেদ ৩৬ ম্যাচে ৭৭ রান,শরিফুল ইসলাম ৫০ ম্যাচে ৬৬ রান সংগ্রহ করেছে।

সব চেয়ে বেশি ম্যাচ খেলে সর্বোচ্চ রান সংগ্রহ করেছে অধিনায়ক লিটন দাশ,তার পরের অবস্থান আছে তাওহীদ রিদয়,তারপর আছে ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। তবে সম্প্রতি সময়ে লিটন ফর্ম ভালো জাচ্ছেনা আমাদের আশা রাখতে হবে দুই ওপেনার ও মিডল অর্ডার তাওহীদ রিদয় জাকের আলি ও শামীম পাটোয়ারী উপর। এছাড়া বোলিং তাসকিন,মুস্তাফিজুর, সাকিব সাথে স্পিনার শেখ মেহেদি ও রিশাদ হোসেন উপর। তাহলে ভালো কিছু সম্বব বলে আশা রাখতে পারি।

মিনহাজুন আবেদিন নান্নু যোগ্যতা ও অযোগ্যতা মধ্যে পার্থক্য বুজেন কি?

 
মিনহাজুল আবেদিন নান্নু বাংলাদেশের সাবেক ক্রিকেটার ও সাবেক নির্বাচক।পাপন আমলের দীর্ঘ্যদীনের নির্বাচক তিনি। তার আমলে যত রেকর্ড না করেছে তার চেয়ে বেশি সমালোচনা জন্ম দিয়েছিলেন তিনি। তিনি প্রথম কিনা বাংলাদেশের ক্রিকেটের অটচয়েজ নামক কোটা চালু করেছিলেন।দল জত বাজেই খেলুক না কেন অটচয়েজ বন্ধ হয়নি। 

সম্প্রতি সময়ে এশিয়া কাপের দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড ও নির্বাচক রা।তা নিয়ে একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছেন এই সাবেক প্রধান নির্বাচক।

গত ২৩ আগস্ট ২০২৫ বাংলাদেশ টাইমস কে দেওয়া এক সাক্ষাৎ তে তিনি বলেছেন। একটা বড় টুর্নামেন্ট এশিয়া কাপে খেলতে জাচ্ছি। অই জাইগায় আমি থাকলে কোন পরিক্ষা নিরিক্ষা করতাম না। আমি এখন থেকেই প্রস্তুতি নিয়ে নিতাম এশিয়া কাপের ও বিশ্বকাপের।
তার কথায় বুজা জাচ্চে কেন তার আমলে বাংলাদেশ ডাউম ফল হয়েছে অট চয়েজ কারনে সব সময় বড় বড় টুর্নামেন্ট বাজে খেলেছে কেন তার কথায় প্রমান।তিনি থাকলে হয়তো নাইম শেখ খেলাতো শান্ত কে খেলাতো লর্ড টাইপ প্লেয়ারদের খেলাইতো। অথচ বড় বড় দল কে দেখেন তারা যোগ্য দের চান্স দিয়ে বিশ্বকাপে ভালো ফলাফল নিয়ে এসেছে। উনি যদি বাংলাদেশ নির্বাচক প্যানেল থাকতো তাহলে আরো একবার ফ্লপ এশিয়া কাপ ও বিশ্বকাপ দেখতো বাংলাদেশ। 
কথায় আছে যোগ্য নেতা আছে কিন্তু সবার নৃতৃত্ব দিতে জানেনা এটাই তার প্রমান।

শনিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৫

টাকার কাছে যখন জাতীয় দল হয়ে যায়বিক্রি হয়ে

 
একটা সময় ছিলো উইস্ট ইন্ডিজ এর যেখানে তারা ক্রিকেট কে রাজত্ব করতো। পাত্তা ছিলোনা কোন দেশের অস্ট্রেলিয়া,সাউথ আফ্রিকা, ইন্ডিয়া, পাকিস্তান কিংবা নিউজিল্যান্ডের মতন দল পাত্তা পেত না। ক্রিকেট বিশ্বকাপ যখন থেকে চালু হয়েছে ঠিক প্রথম আসরে চ্যাম্পিয়ন দল তারাই ছিলো শুধু একবার না দুইবার ওয়ানডে বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন দল তারা ১৯৭৫ ও১৯৭। ক্লাইভ লয়েড গর্ডন গিনিজ,ডেসমন্ড হেইস,ম্যালকম মার্শাল,আ্যন্ডি রবার্স,ভিভ রিচার্ড দের আবিষ্কার করেছিলেন এক ক্রিকেট উজ্জ্বল নক্ষত্র দ্বারা পরিচালিত হয়েছে উইস্ট ইন্ডিজ কে। তাদের দেখানো পথ ধরে এসেছে বায়ান লারা, ফিল সিমন্স,কার্টলি আ্যম্ব্রোস,কোর্টনি ওয়ালশ,ইয়ান বিশপ রা। কিন্তু সুদিন কি আর বেশিদিন থাকে এই টি-টুয়ান্টি যুগে। টি-টুয়ান্টি যুগে এসে উইস্ট ইন্ডিজ জেন তাদের চিরো চিনা রুপ হারিয়ে ফেলেছে। অনেক অনেক তারকা লিজেন্ড বের হয়েছে কিন্তু জাতীয় দলের জন্য বরং ফ্রাঞ্জাইজি ক্রিকেট জন্য। ক্যারিবীয় রা টি-টুয়ান্টি যুগে অনেক রাজত্ব করেছে যেমন ২০১২ আর ২০১৬ বিশ্বকাপ তারাই নিয়েছিলো সেই ১৯৭৫ ও ১৯৭৯ সালের পর আবারো চ্যাম্পিয়ন হয়েছে তারা সেই দলের ছিলো টি-টুয়ান্টি আবিষ্কার করেছিলো ড্যারেন সামি,কাইরন পোলার্ড,ডোয়াইন ব্রাভো, লিন্ডেল সিমন্স,মার্লোন সামুয়েলস মতন স্টার রা। তারা চলে যাওয়া পর এখন উইস্ট ইন্ডিজ তারকা বের হচ্ছে ঠিক এই কিন্তু দেশের জন্য শুধু ফ্রাঞ্জাইজি ক্রিকেট জন্য। দেশের চেয়ে বিদেশি লিগে আলোড়ন বেশি পরতেছে। তার চেয়ে বড় কথা জাতীয় দলে খেলে যে টাকা আয় করা যাবে তার চেয়ে দ্বিগুন টাকা আয় করবে ফ্রাঞ্জাইজি ক্রিকেট এ তার জন্য অনেক তারকা কে কম বয়সে অবসর নিতে দেখা গিয়েছে তার মধ্যে অন্য তম নিকোলাস পুরান। বয়স বা কত হয়েছে চাইলে আরো৭ বা ৮ বছর খেলতে পারতো জাতীয় দলে। শুধু মাত্র ফ্রাঞ্জাইজি ক্রিকেট কে প্রাধান্য দিতে গিয়ে জাতীয় দল কে না করে দিয়েছে। 
এইতো সেদিন তো অস্ট্রেলিয়ার সাথে টেস্ট সিরিজ কথা বলি যেভাবে ধবল ধোলাই হয়েছে পুরো উইস্ট ইন্ডিজ এইরকম পারফোরম্যান্স আসে কিনা জানা নেই সিরিজ তো হেরেছে তার উপর মাত্র ২৬ রানে অলআউট হয়ে ইতিহাস গড়েছে ক্যারিবীয়রা।

তাই তো তাদের সাবেক লিজেন্ড ব্যাটার বিডি ২৪ নিউজ বরাত দিয়েবায়ান লারা বলেছেন;
 আইপিএল কারনে খেলোয়াড় দের দেশের হয়ে খেলা ক্ষুদা নস্ট করে দিয়েছে।ম্যারুন জার্সিটা পরে শুধু মাত্র আইপিএল নজরে আশা জন্য।

তার মানে বুঝা জাচ্ছে এক আইপিএল জন্য এত কিছু উত্তর না আইপিএল মতন আরো অনেক ফ্রাঞ্জাইজি আছে সেইগুলো তে খেলার জন্য শুধু মাত্র ম্যারুন জার্সি টা পরে। 
তবে এত সসমালোচনা পরেও পাকিস্তান সাথে ওয়ানডে সিরিজ জিতে তারা জানান দিয়েছে তারা ম্যারুন জার্সিটা পরে খেলতে পছন্দ করে কিন্তু টাকা গন্ধ পেলে সেটা হারিয়ে যায়। দেখাজাবে কোন ফ্রাঞ্জাইজি নজরে চলে আসলো তাকে দলে নিয়ে নিলো এমন টা হলে এইরকম সিরিজ জিতার চেয়ে না জিতাই ভালো জিততে হলে সব সময় এই রকম মানসিকতা নিয়ে খেলতে হবে দেশের জন্য খেলতে কোন ফ্রাঞ্জাইজি ক্রিকেট জন্য না হোক না টাকা জত লোভনীয় অফার দেইনা কেন আমার কাছে জাতীয় দল সব বাকি গুলো কিছুই না । দেশের জার্সি টা গর্ভের কিন্তু ফ্রাঞ্জাইজি জার্সি টা কি গর্ভের প্রশ্ন থেকেই যায়।
আগের মতন কি উইস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট ফিরবে সেটা এখন দেখার বিষয়।

বিশ্বের এক নম্বর ধনী ক্রিকেট বোর্ড:তারপরেও বারবার স্পন্সর হারায় কেন বলেন তো?

  ইন্ডিয়া ক্রিকেট টিমে কোনটা অভাব রয়েছে বলেন তো?   তাদের অর্থনৈতিক অবস্থা ক্রিকেটার দের অবস্থা কিংবা কোচ বা টিম ম্যানেজমেন্ট ব্যাবস্থা এবং ন...