বাংলাদেশের হয়ে প্রথম ওয়ানডে ফাইফার ও দুলীপ ট্রফিতে ৭ উইকেট নিয়েছেন আফতাব আহমেদ।
দুই জায়গায় একমাত্র বাংলাদেশি আফতাব। প্রথম ফাইফার তো যত যাই হোক, একজনই নেন; আর দুলীপ ট্রফিতে অনেকের সাত উইকেট নেওয়ার সুযোগ থাকলেও নিয়েছেন ওই একজনই। ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে প্রথম হিন্ট'টা তুলনামূলক সহজ হলেও দ্বিতীয়টা একটু অচেনা। তবে দুইটাই ছোট করে ব্যাখ্যা করি।
ওয়ানডে প্রথম ফাইফার ইতিহাস
২০০৪ সালের নভেম্বরে নিউজিল্যান্ডের সাথে হোম সিরিজ। আফতাবের ক্যারিয়ারের চতুর্থ ম্যাচ। তখনো বাংলাদেশের হয়ে ওয়ানডেতে ফাইফার নেয়নি বাংলাদেশের কোনো বোলার। সর্বোচ্চ বোলিং ফিগার ছিলো ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে কিংস্টসে তাপস বৈশ্যের ৪/১৬, তার আগে সুজনের ৪/১৯, দুটোই ২০০৪ এ আসে। আবার ২০০৪ এর নভেম্বরে আফতাব নেন ফাইফার। আফতাবের গল্পে আসি, প্রথম ইনিংসে ব্যাট করে বাংলাদেশের সংগ্রহ কেবল ১৪৬। সেই রান তাড়া করাটা সহজ ছিলো নিউজিল্যান্ডের। ১৪৭ রানের লক্ষ্যে ২ উইকেটে ১০২; মনে হচ্ছিলো কিউইদের সহজ জয়। মজার বিষয়, আফতাব তার ওডিআই ক্যারিয়ারই প্রথমবারের মত সেদিনই করেছিলেন। মানে আগে যে তিনটা ওডিআই খেলেন আফতাব, সেখানে বল করেনি আফতাব। ৭৪ রানের ওপেনিং জুটি সেদিন আফতাবের কল্যাণেই ভাঙ্গে। তবে ১০২/২ থেকে ১২৫/৬!— মুহুর্তের মাঝেই খেলা পালটে দেন মিডিয়াম অএসার আফতাব। যদিও ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত মাত্র ৩ উইকেটে জিতে নিউজিল্যান্ড, কিন্তু বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে নাম লেখানোর জন্য ম্যাচসেরা হয়ে যান আফতাব।
দুলীপ ট্রফিতে আফতাবের ৭/৩৯ ইতিহাস
মনে হতে পারে দুলীপ ট্রফিতে আফতাব খেলতে গিয়েছেন, কথাটা অবশ্যই সত্যি। তবে এটা আরেকটু খোলাসা করে বললে, দুলীপ ট্রফিতে ২০০৫ সালে ভারতের ৪টা জোনের সাথে সাথে বাংলাদেশের 'বিসিবি একাদশ' নামের একটি দলও নিমন্ত্রিত ছিল। সেখানেই তখনকার তারকাখচিত অনেক প্লেয়ার দুলীপ ট্রফিতে খেলেন। নাফিস ইকবাল, আশরাফুল, অলক, আব্দুর রাজ্জাক, তালহা জুবায়ের, মানজারুল রানাসহ অনেকেই খেলেন দুলীপ ট্রফিতে৷ সেবার ২ ম্যাচ খেলে একটি হারে ও একটি ড্র করে বাংলাদেশ। যে ম্যাচটি ড্র করে সেই ম্যাচে, সেন্ট্রাল জোনের বিপক্ষে সে ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসে আফতাব ২৪ ওভার বল করে মাত্র ৩৯ রান খরচায় ৭ উইকেট নেন।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন