শনিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৫

বার্সার কোচ নিষিদ্ধ!? ইয়ামাল আর লেভানডফস্কির সঙ্গে কী একই পরিনতি হল?

 

‌বার্সেলোনার কোচ হ্যান্সি ফ্লিক এক ম্যাচের জন্য ইউরোপ মানচিত্রে “নিষিদ্ধ”! সাথে লামিন ইয়ামাল আর লেভানডফস্কির বিরুদ্ধে “বড় ধরনের লঙ্ঘন”! বিস্তারিত নিচে...

ইউরোপের বিভিন্ন মিডিয়া তথ্য মতে যেটা ভাইরাল হয়েছে

১. ইয়ামাল আর লেভানডফস্কির বিরুদ্ধে অভিযোগ:

তারা ম্যাচ শেষ হওয়ার পর ডোপিং টেস্টে দেরি করেছেন, সংশ্লিষ্ট নির্দেশনা অনুসরণ করেননি বলেই অভিযোগ উঠেছে।

2. ফ্লিক ও সহকারীকে নিষেধাজ্ঞা:

কোচ হ্যান্সি ফ্লিক এবং তাঁর সহকারী মার্কাস সর্গ—দু’জনকেই এক ম্যাচের জন্য ইউরোপীয়ান ক্লাব প্রতিযোগিতা থেকে সরানো হয়েছে, এবং বড় অঙ্কের জরিমানা আরোপ করা হয়েছে। কোচ নাকি মিস ভেঙে ফেলে ভুল রেফারিং নিয়ে আপত্তি তুলেছে । আর এই সমস্ত কারন গুলো প্রমান পেয়েছে ইউরোপীয় ফুটবল সংস্থা (UEFA)। বার্সেলোনার খেলোয়াড় লামিন ইয়ামাল ও রবার্ট লেভানডফস্কিকে প্রত্যেককে €৫,০০০ জরিমানা করেছে, কারণ তারা ডোপিং নিয়ন্ত্রকের নির্দেশ না মানার অভিযোগে “পরীক্ষা স্থলে দ্রুত উপস্থিত হয়নি” । আর এই দিকে বার্সার বস হ্যান্সি ফ্লিক এবং সহকারী মার্কাস সর্গ এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা পেয়েছেন, প্রতিজন €২০,০০০ জরিমানা—তাঁদের আচরণ “নিয়ম ভঙ্গ” এবং “নিয়মের বাইরে” বলে UEFA এই জরিমানা নির্ধারণ করেছে।

শুক্রবার, ৮ আগস্ট, ২০২৫

"তামিম-মুশফিক-রিয়াদ ফিরছেন এনসিএলে! লাভ হবে নাকি ক্ষতি?"


 বাংলাদেশের অভিজ্ঞ তিন তারকা তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ আসন্ন জাতীয় ক্রিকেট লিগে (এনসিএল) খেলতে যাচ্ছেন । দীর্ঘদিন ক্রিকেটের সাথে না থাকা এক সময়ে জাতীয় দলে খেলা এই সিনিয়ররা। এটা নিশ্চিত যে ঘরোয়া ক্রিকেটে নামলে নিঃসন্দেহে টুর্নামেন্টের মান ও প্রতিযোগিতা বাড়বে। তরুণরা পাবেন অনুপ্রেরণা, শিখবেন সরাসরি অভিজ্ঞতার ভান্ডার থেকে।


তবে প্রশ্ন হচ্ছে—তাদের মতো তারকাদের কি আসলেই এনসিএল খেলা উচিত, নাকি তরুণদের জন্য জায়গা ছেড়ে দেওয়া উচিত? একদিকে এটি হতে পারে ফিটনেস ও ম্যাচ প্র্যাকটিস ধরে রাখার দারুণ সুযোগ, অন্যদিকে হতে পারে নতুনদের সুযোগ সীমিত করার শঙ্কা।


আপনার কী মনে হয়❓

তামিম, মুশফিক, মাহমুদুল্লাহ—এনসিএলে ফিরছেন! খেলা কি উচিত? 🏏🇧🇩

শুভ জন্মদিন শান্ত স্বভাবের মহারথী:কেন উইলিয়ামসন

 

ক্রিকেট দুনিয়ার অন্যতম ভদ্র, শান্ত স্বভাবের এবং ধারাবাহিক পারফরমার নিউজিল্যান্ডের বর্তমান ক্রিকেট আইকন কেন উইলিয়ামসন আজ তার জন্মদিন। ১৯৯০ সালের ৮ আগস্ট আজকের দিনে নিউজিল্যান্ডের টাউরাঙ্গায় জন্ম নেওয়া এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান এখনো কিউই ক্রিকেটের হৃদয়স্পন্দন।


উইলিয়ামসন ২০১০ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পা রাখেন, আর খুব অল্প সময়েই নিজেকে বিশ্বের সেরা ব্যাটসম্যানদের তালিকায় স্থান করে নেন। তার ব্যাটিং ভঙ্গি নিখুঁত, সিদ্ধান্ত গ্রহণ শান্ত, আর নেতৃত্বগুণ ছিলো অসাধারণ। ২০১৯ বিশ্বকাপে তার অসাধারণ নেতৃত্বে নিউজিল্যান্ড ফাইনালে পৌঁছায়, যা আজও ক্রিকেটপ্রেমীদের মনে অমলিন স্মৃতি।


শুধু ব্যাটিং নয়, মানবিক গুণেও কেন অনন্য। প্রতিপক্ষ, সতীর্থ, এমনকি ভক্তদের প্রতিও তার বিনয়ী আচরণ তাকে আলাদা মর্যাদা দিয়েছে। টেস্ট, ওয়ানডে বা টি-টোয়েন্টি—সব ফরম্যাটেই তিনি দলের ভরসার প্রতীক।

অন্তত তার ক্যারিয়ার পরিসংখ্যান (আগস্ট ২০২৫ পর্যন্ত) তাই বলছে এক নজরে দেখা নাক তার পরিসংখ্যান।

টেস্ট ক্রিকেট

ওয়ানডে ক্রিকেট

টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক

ম্যাচ: ১০৪    

ম্যাচ: ১৬২+

ম্যাচ: ৮৭+

রান: ৮৭৫০+

রান: ৬৭০০+

রান: ২৫০০+


গড়: ৫৪+

গড়: ৪৭+

গড়: ৩৩+


সেঞ্চুরি: ৩৪

সেঞ্চুরি: ১৩

সেঞ্চুরি: ০


হাফ সেঞ্চুরি : ৩৩

হাফ সেঞ্চুরি: ৪২

হাফ সেঞ্চুরি: ১৮


সর্বোচ্চ: ২৫১

সর্বোচ্চ স্কোর: ১৪৮

সর্বোচ্চ স্কোর: ৯৫*


জন্মদিনে সারা বিশ্বের ক্রিকেটপ্রেমীরা তাকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন, আর নিউজিল্যান্ড আশা করছে, সামনে আরও বহু বছর তিনি কিউইদের জয় এনে দেবেন।

শুভ জন্মদিন, কেন উইলিয়ামসন — ক্রিকেটে থাকো চিরকাল আমাদের অনুপ্রেরণার নায়ক হয়ে।

বৃহস্পতিবার, ৭ আগস্ট, ২০২৫

রোহিত-কোহলি দল থেকে বাদ!নতুন যুগের শুরু না কি কিংবদন্তিদের অবহেলা?সমর্থকদের মাঝে ঝড় তোলা সিদ্ধান্ত

 


ভারতীয় ক্রিকেটের দুই মহারথী – রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলি। একজন "হিটম্যান", অন্যজন "রান মেশিন"। অথচ আজকের আলোচনায় সবচেয়ে বড় প্রশ্ন: তারা কেন ভারতীয় দলে নেই? বা আছে? আসন্ন সামনের ওয়ানডে সিরিজ গুলো তে থাকবেন কিনা তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে এই ইন্ডিয়ান স্টার। কেন নেই কেন থাকবে না বা রাখা হবে না হয়তো এই উত্তর খুজতেসে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড বিসিসিআই। দেখে নেওয়া জাক কেন রাখা হবে না তাদের কে 


🔍 কারণ ১: বয়স ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

রোহিত ও কোহলি দুজনেই ৩৮ বছরের ওপরে। টি-টুয়ান্টি ও টেস্ট থেকে আগে থেকে অবসর নেওয়ায় বাকি শুধু ওয়ানডেতে। বিসিসিআই মনে হচ্ছে ২০২৭ বিশ্বকাপ ও তার পরের গুরুত্বপূর্ণ টুর্নামেন্টগুলোতে ভারতীয় বোর্ড তরুণদের ওপর আস্থা রাখতে চাইছে। ভবিষ্যতের জন্য একটি নতুন দল গড়ার কাজ শুরু হয়েছে।

🔍 কারণ ২: ফর্ম ও পলিসি

সাম্প্রতিক সময়ে ওয়ানডে তে ভালো পারফর্ম করলেও, বোর্ড মনে করছে এই ফরম্যাটে তরুণ এবং গতিশীল খেলোয়াড়দের প্রয়োজন। রোহিত ও কোহলি দুজনেই টেকনিক্যাল প্লেয়ার হলেও বর্তমান গতিতে তরুণদের জায়গা করে দেওয়া হচ্ছে।


🔍 কারণ ৩: বিরতি নাকি স্থায়ী বিদায়?

এই বাদ পড়া অনেকটাই বিশ্রাম বা পরিকল্পিত রোটেশন বলেই মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে ওয়ানডে ফরম্যাটে তাদের অভিজ্ঞতা এখনো অমূল্য। তাই একে বিদায় বলা যাচ্ছে না এখনই।

🔍 সমর্থকদের প্রতিক্রিয়া

ভারতীয় সমর্থকদের বড় একটি অংশ এই সিদ্ধান্তে হতাশ। তারা মনে করেন, বড় ম্যাচে অভিজ্ঞতা অনেক গুরুত্বপূর্ণ, এবং রোহিত-কোহলির বিকল্প এখনো তৈরি হয়নি।

রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলির দল থেকে বাদ পড়া একটি যুগের পরিণতির সূচনা হতে পারে। তবে এটি স্থায়ী কি না, তা সময়ই বলে দেবে। তারা কি ফিরে আসবেন? নাকি এটা একজন কিংবদন্তির বিদায়ের সূচনা?

আপনার মতামত কী? রোহিত ও কোহলিকে আপনি আবার দলে দেখতে চান?

ফিফা র‍্যাংকিংয়ে ২৪ ধাপ এগিয়ে ১০৪ তম স্থানে বাংলাদেশ!


 বাংলাদেশ ফুটবলের জন্য এটি নিঃসন্দেহে এক গর্বের মুহূর্ত! আন্তর্জাতিক ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা ফিফার সর্বশেষ র‍্যাংকিং অনুযায়ী, বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল ২৪ ধাপ এগিয়ে এসেছে ১০৪তম স্থানে। দীর্ঘদিন ধরে ফুটবলে কাঙ্ক্ষিত সাফল্যের জন্য লড়াই করা বাংলাদেশের জন্য এটি এক বিশাল অগ্রগতি এবং আশার আলো।


এতো বড় লাফ দেওয়ার কারন হল  বাংলাদেশ সম্প্রতি ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ বাছাই পর্বে অসাধারণ পারফরম্যান্স করেছে। নেপালের বিপক্ষে জয়ে পয়েন্টের বড় যোগান এসেছে। তাছাড়া মাঠে দলের সংহতি, পরিকল্পিত রক্ষণভাগ এবং তরুণ খেলোয়াড়দের চমৎকার পারফরম্যান্সও এই সাফল্যের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।


নতুন কোচিং স্টাফ ও খেলোয়াড়দের অবদান অনেক বেশি রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) কিছু সাহসী সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যার মধ্যে নতুন কোচিং স্টাফ নিয়োগ ও ফুটবলারদের ফিটনেসে জোর দেওয়াও আছে। তরুণ এবং অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের সমন্বয়ে গঠিত বর্তমান স্কোয়াডের মধ্যে বোঝাপড়া ও প্যাশন স্পষ্ট।


ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জে এই উন্নতি অবশ্যই প্রশংসনীয়, তবে এখনই আত্মতুষ্টিতে ভোগার সময় নয়। সামনে আছে আরও কঠিন প্রতিপক্ষ, বড় টুর্নামেন্ট, এবং টেকসই সাফল্য ধরে রাখার চ্যালেঞ্জ। জাতীয় লিগ ও ঘরোয়া ফুটবল উন্নত না হলে এই অগ্রগতি দীর্ঘস্থায়ী নাও হতে পারে।


বাংলাদেশের সম্ভাবনা বর্তমান তরুণ প্রতিভাদের হাত ধরে যদি উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা যায়, তাহলে একদিন ১০০-এর নিচে অবস্থান করাও অসম্ভব নয়। ফিফা র‍্যাংকিং শুধু একটি সংখ্যা নয়, এটি একটি দেশের ফুটবল কাঠামোর প্রতিচ্ছবি। এই উন্নতি দেখিয়ে দিল, সঠিক পরিকল্পনা ও পরিশ্রমে বাংলাদেশও আন্তর্জাতিক ফুটবলে মাথা তুলে দাঁড়াতে পারে।

 মনে রাখবেন ফিফা র‍্যাংকিংয়ে ২৪ ধাপ এগিয়ে যাওয়া মানে শুধু একটি সংখ্যা বৃদ্ধি নয়, এটি গোটা জাতির ফুটবলপ্রেমী মানুষের আত্মবিশ্বাসের জাগরণ। এই জোয়ার যেন দীর্ঘস্থায়ী হয়—এটাই এখন সকলের কাম্য।

একজন কিংবদন্তী সাহসী ডিফেন্ডার থেকে ফুটবল নেতার শেষ যাত্রা।

 


                                   জর্জে কস্তা 


কথায় আছেনা কীর্তিমানের মৃত্যু নাই সেটাই রেখে গেছেন জর্জে কস্তা যার শুরু শৈশব থেকে। যেখান থেকে করেছিলেন।

জর্জে পাওলো কস্তা আলমেইদা, jorge costa  যিনি আমাদের কাছে পরিচিত জর্জে কস্তা নামে, ১৯৭১ সালের ১৪ অক্টোবর পর্তুগালের পোর্তো শহরে জন্মগ্রহণ করেন। ছোটবেলা থেকেই ফুটবলের প্রতি অদম্য ভালোবাসা ছিল তার। মাত্র ১১ বছর বয়সে যোগ দেন FC Porto'র ইয়ুথ একাডেমিতে। সেখান থেকেই শুরু হয় এক অসাধারণ ফুটবল ক্যারিয়ারের।

🛡️ ফুটবল ক্যারিয়ার: Porto’র এক অদম্য ট্যাঙ্ক হিসেবে নিজেকে চিনিয়েছিলেন। 

তার পজিশন ছিলো : সেন্টার ব্যাক খ্যাতি ছিলো: "The Tank" – তার শক্তিশালী শরীরী ভাষা ও অটুট মানসিকতার জন্য। জর্জে কস্তা তার প্রায় পুরো খেলোয়াড়ি জীবন কাটিয়েছেন FC Porto ক্লাবে। ক্লাবের হয়ে খেলেছেন ৪০০টিরও বেশি ম্যাচ। তিনি ছিলেন জোসে মোরিনহোর অধীনে ২০০৪ সালের UEFA Champions League জয়ী দলের অধিনায়ক। 

তার খেলোয়াড় জীবনে জিতেছেন:

🏆 11x Portuguese Primeira Liga

🏆 5x Portuguese Cup

🏆 UEFA Cup (2003)

🏆 UEFA Champions League (2004)

তিনি কিছু সময়ের জন্য Charlton Athletic (ইংল্যান্ড) ও Standard Liège (বেলজিয়াম) ক্লাবে ধারে খেলেন।

তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে পর্তুগালের জাতীয় দলের হয়ে খেলেছেন ৫০টির বেশি ম্যাচ। অংশ নিয়েছেন🏅 ইউরো ২০০০ ও ২০০৪ (সেমিফাইনাল অবধি ডিফেন্সের নেতৃত্ব দিতে তার জুড়ি ছিল না।

খেলোয়াড় জীবন অবসরে পর নাম লিখান কোচিং ক্যারিয়ারে। মাঠের বাইরে নেতৃত্ব খেলোয়াড়ি জীবন শেষে জর্জে কস্তা হয়ে ওঠেন একজন ঘুরে বেড়ানো কোচ।

 তিনি কাজ করেছেন পর্তুগাল ক্লাব : এস.সি ব্রাগা, অলহাননেন্সে, একাডিমিক্যা মতন ক্লাবে। 

এছাড়া আরো কাজ করেছেন আন্তর্জাতিক ভাবে: CFR Cluj (রোমানিয়া),CS Sfaxien (তিউনিসিয়া) অ্যাঙ্গোলা জাতীয় দল ও গ্যাবন জাতীয় দল সাথে।

তার কোচিং স্টাইল ছিল ডিসিপ্লিন-ভিত্তিক, রক্ষণাত্মক ও মানসিকভাবে শক্তিশালী দল গঠনের দিকে মনোযোগী।

২০২৫ সালের ৫ আগস্ট, মাত্র ৫৩ বছর বয়সে, জর্জে কস্তা হৃদযন্ত্র বন্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। ঘটনাটি ঘটে FC Porto-র Olival ট্রেনিং সেন্টারে। দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলেও বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

তার মৃত্যুতে ফুটবল বিশ্বে নেমে আসে শোকের ছায়া। জোসে মোরিনহো এক আবেগঘন সংবাদ সম্মেলনে বলেন:

“It’s part of my history that goes away. Jorge was a true leader.”

জর্জে কস্তা শুধু একজন ফুটবলার বা কোচ ছিলেন না – তিনি ছিলেন পর্তুগিজ ফুটবলের প্রতীক। তার মতো নেতৃত্বগুণ, সাহস এবং ক্লাবের প্রতি নিষ্ঠা আজকের যুগে বিরল।

জর্জে কস্তা আমাদের শিখিয়ে গেছেন কিভাবে মাঠে ও মাঠের বাইরে নেতৃত্ব দিতে হয়। তিনি হয়তো চলে গেছেন, কিন্তু তার রেখে যাওয়া স্মৃতি, জয়গাথা আর অনুপ্রেরণা চিরকাল বেঁচে থাকবে ফুটবলপ্রেমীদের হৃদয়ে।

জর্জে কস্তা ছিলেন Porto-র ইতিহাসের এক চিরন্তন প্রতীক, একজন অধিনায়ক, নেতা এবং ক্লাবের প্রাণ। তাঁর জীবন ও ফুটবল যাত্রা আজও লক্ষ লক্ষ অনুরাগীর ক্ষেত্রে একটি শক্তি ও প্রেরণা হিসেবে বহমান।

✍️ লেখক: [ওসমান গনি/ফুটবল]

📅 প্রকাশকাল:   ৭ আগস্ট ২০২৫


বুধবার, ৬ আগস্ট, ২০২৫

বাংলাদেশের সবচেয়ে জঘন্য T২০ বিশ্বকাপ ছিল ২০২১ সালের বিশ্বকাপ কিন্তু কেন?

 


বাংলাদেশের সবচেয়ে জঘন্য T২০ বিশ্বকাপ ছিল ২০২১ সালের বিশ্বকাপ। ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডকে সিরিজে হারিয়ে অনেক আশা নিয়ে বিশ্বকাপে গিয়েছিল দল। কিন্তু বাস্তবে গিয়ে হলো পুরোপুরি বেহাল দশা।

প্রথম রাউন্ডেই স্কটল্যান্ডের কাছে হেরে যাত্রা শুরু। এরপর কোনো রকমে মূল পর্বে জায়গা পেয়েছিল, কিন্তু খেলায় ছিল না কোনো লড়াইয়ের ছাপ।

ব্যাটসম্যানদের পারফরমেন্স ছিল চরম হতাশাজনক। মনে হচ্ছিল, যেন তাদের জোর করে নামানো হয়েছে মাঠে।


🛑 অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে দুইবার ১০০ রানের নিচে অলআউট।


🛑 ইংল্যান্ডের সাথে টেনেটুনে ১২০ প্লাস — তিনটি ম্যাচেই জঘন্যভাবে হার।


🛑 শ্রীলঙ্কা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাথে কনটেস্ট হয়েছিল, কিন্তু তাতেও হার।


পরিশেষে, ৫ ম্যাচেই হেরে বিদায়।

তাই এবারের বিশ্বকাপ নিয়ে আমরা আশাবাদি ২০২১ সালের মতন যেন এবার না হয় কারন ২০২১ সালের বিশ্বকাপে আগে মিরপুর পিচে আমরা অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ডে সাথে খেলে সিরিজ জিতেছিলাম ঠিক এই কিন্তু উন্নত মানের পিচ প্যাক্টিস না করা ফলে বিশ্বকাপে গিয়ে হতাশ পারফোরম্যান্স ছিলো। তাই এবার যেন সেই রকম কিছু না ঘটে সেই আশা করতেই পারি আমিনুল ইসলাম বুল বুল এর বিসিবির কাছে 

বিশ্বের এক নম্বর ধনী ক্রিকেট বোর্ড:তারপরেও বারবার স্পন্সর হারায় কেন বলেন তো?

  ইন্ডিয়া ক্রিকেট টিমে কোনটা অভাব রয়েছে বলেন তো?   তাদের অর্থনৈতিক অবস্থা ক্রিকেটার দের অবস্থা কিংবা কোচ বা টিম ম্যানেজমেন্ট ব্যাবস্থা এবং ন...